ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

রাতে ট্রেনে ঢাকায় রওনা, গোপনে নেমে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ!

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ কারেঙ্গাতলী এলাকায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ব্যাপারে ডোমার থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে আরমান হোসেন (২৬) এবং আরমানের সহযোগী চিলাহাটী সাহাপাড়া এলাকার কারিফের ছেলে লাজু (১৫)। তারা দুজনেই ঢাকায় রডমিস্ত্রির কাজ করেন।

ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী ভাবী জানান, আমার স্বামীরা পাঁচ ভাই।

তাদের প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা বাড়িতে থাকেন। এই বাড়িতে আমার ননদ এবং শ্বশুর-শাশুড়ি থাকেন। গতকাল রাত ৮টায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে মেয়ের মা এবং অভিযুক্ত আরমান ও লাজু ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। এরই মধ্যে আরমান এবং লাজু ট্রেন থেকে নেমে যান।

তিনি আরো জানান, পরে তারা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে। তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আমার ননদ তার এক ভাইকে মোবাইলে বিষয়টি জানায়। পরে তিনি বাড়িতে এসে ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে বাড়ির সবাইকে খবর দেয়।

তিনি বলেন, ‘আমার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ।

তিনি ঘুমিয়ে পড়ার কারণে ঘটনার বিষয়ে কোনোকিছুই টের পাননি। আমরা সবাই এসে ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পাই। এরপর আমরা আরমানের দাদিকে জিজ্ঞাসা করি আরমান কোথায়? তিনি বলেন, তারা তো ঢাকা চলে গেছে। এমতাবস্থায় আমরা ছেলেটাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ওই ছেলের ব্যাগ পাই। তার এই ব্যাগ দেখার পর তার দাদি চুপ হয়ে যান।’

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বাদশার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে এবং অভিযুক্তদের কাপড়ের ব্যাগ জব্দ করে। ভুক্তভোগীকে মেডিক্যাল টেস্টের পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমি ঘুমায় গেছি, তারা আমার ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে আমার মুখ ও হাত বেঁধে ফেলে এবং রাজু আমাকে ধরে আর আরমান আমাকে ধর্ষণ করে। আমি বেশি ধস্তাধস্তি এবং চিৎকার করলে তারা আমাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়, পরে আমি আমার ভাইকে খবর দিই।’

ডোমার থানা ওসি হাবিবুল্লাহ মামলা হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই মেয়ের ভাই মামলা দায়ের করেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

ঢাকাকে ‘হিট আইল্যান্ড’ মুক্ত করতে যেসব উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

রাতে ট্রেনে ঢাকায় রওনা, গোপনে নেমে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ!

আপডেট সময় ০৪:৪১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ কারেঙ্গাতলী এলাকায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ব্যাপারে ডোমার থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে আরমান হোসেন (২৬) এবং আরমানের সহযোগী চিলাহাটী সাহাপাড়া এলাকার কারিফের ছেলে লাজু (১৫)। তারা দুজনেই ঢাকায় রডমিস্ত্রির কাজ করেন।

ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী ভাবী জানান, আমার স্বামীরা পাঁচ ভাই।

তাদের প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা বাড়িতে থাকেন। এই বাড়িতে আমার ননদ এবং শ্বশুর-শাশুড়ি থাকেন। গতকাল রাত ৮টায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে মেয়ের মা এবং অভিযুক্ত আরমান ও লাজু ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। এরই মধ্যে আরমান এবং লাজু ট্রেন থেকে নেমে যান।

তিনি আরো জানান, পরে তারা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে। তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আমার ননদ তার এক ভাইকে মোবাইলে বিষয়টি জানায়। পরে তিনি বাড়িতে এসে ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে বাড়ির সবাইকে খবর দেয়।

তিনি বলেন, ‘আমার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ।

তিনি ঘুমিয়ে পড়ার কারণে ঘটনার বিষয়ে কোনোকিছুই টের পাননি। আমরা সবাই এসে ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পাই। এরপর আমরা আরমানের দাদিকে জিজ্ঞাসা করি আরমান কোথায়? তিনি বলেন, তারা তো ঢাকা চলে গেছে। এমতাবস্থায় আমরা ছেলেটাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ওই ছেলের ব্যাগ পাই। তার এই ব্যাগ দেখার পর তার দাদি চুপ হয়ে যান।’

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বাদশার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে এবং অভিযুক্তদের কাপড়ের ব্যাগ জব্দ করে। ভুক্তভোগীকে মেডিক্যাল টেস্টের পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমি ঘুমায় গেছি, তারা আমার ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে আমার মুখ ও হাত বেঁধে ফেলে এবং রাজু আমাকে ধরে আর আরমান আমাকে ধর্ষণ করে। আমি বেশি ধস্তাধস্তি এবং চিৎকার করলে তারা আমাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়, পরে আমি আমার ভাইকে খবর দিই।’

ডোমার থানা ওসি হাবিবুল্লাহ মামলা হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই মেয়ের ভাই মামলা দায়ের করেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ