ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জরুরি ভিত্তিতে দরপত্র ছাড়াই ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উন্মুক্ত দরপতন ছাড়াই ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনা হবে এই এলএনজি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দুই কার্গো করে গ্যাস কেনা হবে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে এসব গ্যাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫-এর ১০৭, ৯৭ ও ৯৮ বিধি অনুসরণ করা হবে।

বৈঠকে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

জরুরি ভিত্তিতে দরপত্র ছাড়াই ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উন্মুক্ত দরপতন ছাড়াই ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনা হবে এই এলএনজি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দুই কার্গো করে গ্যাস কেনা হবে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে এসব গ্যাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫-এর ১০৭, ৯৭ ও ৯৮ বিধি অনুসরণ করা হবে।

বৈঠকে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস