ভালোবাসার কাছে বয়স কখনও কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। বলিউডের তারকা দম্পতিদের ক্ষেত্রে কথাটি আরও বেশি সত্য। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক বিবাহিত তারকা জুটি রয়েছেন যাঁদের বয়সের ব্যবধান দশ বছর বা তারও বেশি। তাঁদের কাছে বয়স একটা সংখ্যা মাত্র। বয়সের ব্যবধানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক সুতোয় বাঁধা পড়েছেন তাঁরা। এমন কিছু বলিউড জুটিকে নিয়ে আজকের প্রতিবেদন।
ক্যাটরিনা কাইফ-ভিকি কৌশল
ক্যাটরিনা কাইফ ৩৮ বছর বয়সে গাঁটছড়া বেঁধেছেন ৩৩ বছর বয়সী অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে। এই জুটির বয়সের ব্যবধান ৫ বছর। তাঁরা ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের চার বছর পর ২০০২৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁদের ঘর আলো করে জন্ম নিয়েছে একটি পুত্রসন্তান। ছেলের নাম রেখেছেন বিহান কৌশল।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া-নিক জোনাস
২০১৮ সালে হলিউড তারকা নিক জোনাসকে বিয়ে করেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিক প্রিয়ঙ্কার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। বিয়ে নিয়ে প্রিয়ঙ্কা-নিককে বেশ সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে কন্যাসন্তানের মা-বাবা হয়েছেন এই তারকা জুটি।
ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন-অভিষেক বচ্চন
৩৪ বছর বয়সে ঐশ্বরিয়া রাই বিয়ে করেন ৩১ বছরের অভিষেক বচ্চনকে। ২০০৭ সালে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে সাত পাকে বাঁধা পড়েন এই তারকা জুটি। ১৯ বছরের দাম্পত্য জীবন তাঁদের। অভিষেক-ঐশ্বর্যের ঘরে একটি মেয়ে রয়েছে, যার নাম আরাধ্যা বচ্চন।
অমৃতা সিং-সাইফ আলি খান
১৯৯১ সালের শেষ দিকে পরিবারকে না জানিয়ে গোপনে সাইফ আলি খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অমৃতা সিং। তাঁদের বয়সের ব্যবধান ছিল ১৩ বছর। বিয়ের সময় সাইফ আলির বয়স ছিল ২১ বছর এবং অমৃতা সিংয়ের বয়স ছিল ৩৩ বছর। দীর্ঘ ১৩ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০০৪ সালে তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটে। এই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে— মেয়ে সারা আলি খান এবং ছেলে ইব্রাহিম আলি খান।
বিপাশা বসু-করণ সিং গ্রোভার
২০১৬ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিপাশা বসু করণ সিং গ্রোভারের চেয়ে ৩ বছরের বড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের পোস্ট থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে তাঁরা তাঁদের বৈবাহিক জীবন নিয়ে বেশ সুখে ও শান্তিতে আছেন। এই তারকা দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তাঁদের মেয়ের নাম দেবী বসু সিং গ্রোভার। ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ঘর আলো করে সে জন্মগ্রহণ করে।
নার্গিস ও সুনীল দত্ত
পর্দার গল্পকে হার মানায় নার্গিস ও সুনীল দত্তের প্রেম। বিবাহের সময় নার্গিস সুনীল দত্তের চেয়ে ১ বছরের বড় ছিলেন। ১৯৫৭ সালের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘মাদার ইন্ডিয়া’-তে নার্গিস অন-স্ক্রিনে সুনীল দত্তের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তবে বাস্তবে রূপোলি পর্দার সম্পর্ক ছাপিয়ে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক। জুটি বেঁধে অভিনয়ের এক বছরের মধ্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসে এই তারকা জুটি। দম্পতির কোল আলো করে আসে তিন সন্তান— সঞ্জয় দত্ত, প্রিয়া দত্ত, নাম্রতা দত্ত।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস

























