ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একে-৪৭ ব্যবহার, জেলা পুলিশ সুপার পদচ্যুত Logo ৬ ঘণ্টার পথ ১৪ ঘণ্টায় পৌঁছে কেমন আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা Logo ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য Logo শিক্ষার্থীর ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী Logo নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, প্রেমিকসহ তিনজনের যাবজ্জীবন Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলায় শুরু হয়েছে ‘দোলন বর্ষা আর্ট এক্সিবিশন’ Logo কম বয়সী পুরুষের প্রেমে মজেছিলেন যেসব অভিনেত্রী Logo বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব Logo ‘পান মশলার বিজ্ঞাপন করি না’ মন্তব্যের পর ভাইরাল সানির মাদকের বিজ্ঞাপন Logo ন্যাড়া মাথায় মন্দিরে বলিউড অভিনেত্রী নয়নতারা, ভিডিও ভাইরাল

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে ডিজিটাল রূপান্তর এবং অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সিআইআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটির বাংলাদেশে ইতিমধ্যে বিনিয়োগ রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে দুটি বিজনেস-টু-বিজনেস টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে।

অন্যটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ ও অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর উপায় খুঁজবে। এ প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে বড় পরিসরে অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য। নতুন রেলপথ, মহাসড়ক, বন্দর এবং এলএনজি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল বিনিয়োগ ও অর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা যদি এসব খাতে আগ্রহ দেখান এবং তা বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয়, তাহলে সরকার সেই সহযোগিতাকে ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেছে। বিশেষ করে বেনাপোলে কার্গো হ্যান্ডলিং আরো দক্ষ করা এবং সীমান্তে পণ্য চলাচল সহজ করা গেলে পরিবহন ও কাঁচামাল সংগ্রহের ব্যয় কমবে। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যও বাড়বে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বাণিজ্য জোটের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একে-৪৭ ব্যবহার, জেলা পুলিশ সুপার পদচ্যুত

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

আপডেট সময় ০৬:৩২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে ডিজিটাল রূপান্তর এবং অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সিআইআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটির বাংলাদেশে ইতিমধ্যে বিনিয়োগ রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে দুটি বিজনেস-টু-বিজনেস টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে।

অন্যটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ ও অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর উপায় খুঁজবে। এ প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে বড় পরিসরে অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য। নতুন রেলপথ, মহাসড়ক, বন্দর এবং এলএনজি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল বিনিয়োগ ও অর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা যদি এসব খাতে আগ্রহ দেখান এবং তা বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয়, তাহলে সরকার সেই সহযোগিতাকে ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেছে। বিশেষ করে বেনাপোলে কার্গো হ্যান্ডলিং আরো দক্ষ করা এবং সীমান্তে পণ্য চলাচল সহজ করা গেলে পরিবহন ও কাঁচামাল সংগ্রহের ব্যয় কমবে। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যও বাড়বে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বাণিজ্য জোটের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ