ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নতুন মাইলফলকে সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন Logo বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা Logo সেনাদের গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় যুদ্ধক্ষেত্রের খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী Logo বিশেষ অভিযানে আড়াই মাসে গ্রেফতার প্রায় ৩৩ হাজার Logo প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী Logo রূপালী ব্যাংকের ৬৮০ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিএসইসির সম্মতি Logo কালশীতে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বিঘ্ন Logo বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সহযোগিতার আশ্বাস সৌদি রাষ্ট্রদূতের Logo ডালাসে চলছে ফ্রান্স-স্পেনের প্রথম সেমিফাইনালের প্রস্তুতি Logo ৭ জেলায় বন্যা : ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু বেড়ে ৫৪

নতুন মাইলফলকে সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন

সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোনের মোট বিতরণ ১০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ঋণ সেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই সেবার মাধ্যমে বিকাশ অ্যাপের ৩৫ লাখ গ্রাহক মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ লোন তাদের অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি গ্রাহক গড়ে এই স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়েছেন ৯ বারের বেশি, যা সেবাটির শক্তিশালী পুনর্ব্যবহার এবং ছোট অঙ্কের সহজলভ্য ঋণের ব্যাপারে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন।

বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি যোগ্য বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ সুবিধা উন্মুক্ত রয়েছে। এসব গ্রাহকের অধিকাংশেরই আগে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল সীমিত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও ছিল খুব সামান্য বা একেবারেই না। এখন যোগ্য গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপে এক মিনিটেরও কম সময়ে এই ঋণ সুবিধা নিতে পারছেন। এ জন্য তাদের কোনো ব্যাংক শাখায় যেতে হচ্ছে না, কোনো কাগজপত্রও জমা দিতে হচ্ছে না।

প্রতিদিন প্রায় এক লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে সিটি ব্যাংকের এই ঋণ নিচ্ছেন। প্রতিটি ঋণের গড় পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার টাকা, আর মাসিক ঋণ বিতরণ পৌঁছেছে ৯০০ কোটি টাকায়। এসব ঋণ তাৎক্ষণিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রয়োজন, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসাজনিত জরুরি প্রয়োজন এবং শিক্ষা ব্যয় ইত্যাদি।

সবচাইতে লক্ষণীয় বিষয় এ ঋণ পরিশোধের হার। মোট বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ মাত্র ৫৩ কোটি টাকা বা ০ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিতরণ করা ঋণের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়মিতভাবে ব্যাংকে ফেরত এসেছে।

সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন জানান, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ যখন বড় উদ্বেগের বিষয়, তখন দেখা যাচ্ছে ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণে পোর্টফোলিওর মান ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। এই ঘটনাটি থেকে পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্যই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে।’

বাংলা৭১নিউজ/এনি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন মাইলফলকে সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন

নতুন মাইলফলকে সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন

আপডেট সময় ০৮:৪২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোনের মোট বিতরণ ১০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ঋণ সেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই সেবার মাধ্যমে বিকাশ অ্যাপের ৩৫ লাখ গ্রাহক মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ লোন তাদের অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি গ্রাহক গড়ে এই স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়েছেন ৯ বারের বেশি, যা সেবাটির শক্তিশালী পুনর্ব্যবহার এবং ছোট অঙ্কের সহজলভ্য ঋণের ব্যাপারে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন।

বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি যোগ্য বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ সুবিধা উন্মুক্ত রয়েছে। এসব গ্রাহকের অধিকাংশেরই আগে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল সীমিত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও ছিল খুব সামান্য বা একেবারেই না। এখন যোগ্য গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপে এক মিনিটেরও কম সময়ে এই ঋণ সুবিধা নিতে পারছেন। এ জন্য তাদের কোনো ব্যাংক শাখায় যেতে হচ্ছে না, কোনো কাগজপত্রও জমা দিতে হচ্ছে না।

প্রতিদিন প্রায় এক লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে সিটি ব্যাংকের এই ঋণ নিচ্ছেন। প্রতিটি ঋণের গড় পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার টাকা, আর মাসিক ঋণ বিতরণ পৌঁছেছে ৯০০ কোটি টাকায়। এসব ঋণ তাৎক্ষণিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রয়োজন, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসাজনিত জরুরি প্রয়োজন এবং শিক্ষা ব্যয় ইত্যাদি।

সবচাইতে লক্ষণীয় বিষয় এ ঋণ পরিশোধের হার। মোট বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ মাত্র ৫৩ কোটি টাকা বা ০ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিতরণ করা ঋণের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়মিতভাবে ব্যাংকে ফেরত এসেছে।

সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন জানান, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ যখন বড় উদ্বেগের বিষয়, তখন দেখা যাচ্ছে ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণে পোর্টফোলিওর মান ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। এই ঘটনাটি থেকে পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্যই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে।’

বাংলা৭১নিউজ/এনি