ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা

সাত জনের মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। আর খালাস পাওয়া আসামি হলেন ইদ্রিস আলী। তারা সবাই বকশীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জের জানকিপুরের ভাড়া বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে গাড়িটি থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যান গাড়িতে তুলে নেন আসামিরা। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় ফরিদ নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে আসামিরা ওই গৃহবধূকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

আট মাস পর মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মোকাম্মেল হক।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা

সাত জনের মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আপডেট সময় ০৭:৩১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। আর খালাস পাওয়া আসামি হলেন ইদ্রিস আলী। তারা সবাই বকশীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জের জানকিপুরের ভাড়া বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে গাড়িটি থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যান গাড়িতে তুলে নেন আসামিরা। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় ফরিদ নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে আসামিরা ওই গৃহবধূকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

আট মাস পর মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মোকাম্মেল হক।

বাংলা৭১নিউজ/এবি