শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

সবজির বাজার স্থিতিশীল

বাংলা৭১নিউজ,ঢাকা
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীতে বাজারভেদে দরদাম কিছুটা কমবেশি হলেও সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। ‎শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজার ও আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

‎‎গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচের দাম কেজি প্রতি ১২০ টাকা ছিল। এই সপ্তাহেও বাজারগুলোতে ১২০ টাকা ধরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

‎মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারে মানভেদে গোল বেগুন কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। আর শান্তিবাগ কাঁচাবাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। এই পণ্যটির দাম গত সপ্তাহেও একই রকম ছিল বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

‎লম্বা বেগুন গত সপ্তাহে ৭০ টাকা বিক্রি হলেও ১০ টাকা কমে কেজি প্রতি এখন ৬০ করে বিক্রি করছেন বলে জানান মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম। তবে শান্তিবাগ বাজারে ৮০ টাকা দরে লম্বা বেগুন বিক্রি করছেন বাজারের ব্যবসায়ী আবুল কালাম। যদিও কালামের পাশের দোকানে ৭০ টাকা করে বিক্রি করছেন কবীর।

জানতে চাইলে আবুল কালাম বলেন, ‘লম্বা বেগুনগুলো ভালো হবে। এ কারণে কিছুটা দাম বেশি।’

‎তিনি বলেন, ‘দামে একটু কম বেশি পাবেন। তবে বাজারে সবজির দাম কমেনি, বাড়েনি। আসলে সবজির মানের কারণে দাম কমবেশ হচ্ছে।’
‎তবে বাজারভেদে পণ্য দামের কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে। মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারে কেজি প্রতি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। আর শান্তিবাগ বাজারে পণ্যটির দাম ৭০/৮০ টাকা। যদি, বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহে শসার দাম কিছু বাড়তি ছিল।

‎এদিকে মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারে টমেটো কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা টাকা করে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আশপাশে অন্যান্য বাজারেও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো কোনো দোকানে বেশি দামেও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শান্তিবাগ ‘মগা’ কাঁচাবাজারে একটি দোকানে টমেটো ১৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এই দোকানে আসা দিদারুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর থেকে ১০০/১২০ টাকার মধ্যেই টমেটো কিনছি। এখানে ১৬০ টাকা চাচ্ছে। তাই কিনিনি। অন্য জায়গায় আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সেখান থেকে নেব।

‎একই বাজারে আসা খায়রুল আকন্দ বলেন, ‘এই বাজারে দাম একটু বেশি। একটু বেশি হলেও বাসার পাশে তাই এখানেই বাজার করি। তবে রেলগেট বাজারে গেলে সব পণ্যের দামই কিছুটা কম আছে।’

‎বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মালিবাগ বাজারে পটলের দাম কেজি প্রতি ৫০ টাকা ও শান্তিবাগ বাজারে ৬০ টাকা। তবে দুই বাজারেই ঝিঙার দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

‎বরবটি কেজি প্রতি মালিবাগে ৬০ টাকা ও শান্তিবাগে ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর চিচিঙ্গা ও ধন্দুল কেজি প্রতি মালিবাগে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা ও শান্তিবাগে ৬০ টাকা।

‎তবে ঢেঁড়সের দাম বাজার দুটিতে ২০ টাকা পার্থক্য দেখা গেছে। মালিবাগে ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪০ টাকা করে। আর শান্তিবাগে একই পণ্য বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা।

‎যদিও পেঁপে দুই বাজারেই কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলার দামও বাজার দুটিতে একই রকম। হালি প্রতি কাঁচা কলার দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এসব পণ্যের দাম গত সপ্তাহেও একই রকম ছিল বলেও জানা গেছে।

যদিও বাজার দুটিতে লাউ, জালি কুমড়া ও মিষ্টি কুমড়ার দামেও কিছুটা ব্যবধান দেখা গেছে।

মালিবাগে একেকটি লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা করে হলেও শান্তিবাগে ৬০ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একেকটি জালি মালিবাগে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শান্তিবাগে ৬০ টাকা করে। আর মিষ্টি কুমড়া কেজি প্রতি মালিবাগে ৪০ টাকা হলেও শান্তিবাগে ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com