ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মী নির্যাতন, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতি

খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্রের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে সোলার পার্ক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দুজনই সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি নরসিংদী। ছোটবেলা থেকেই তিনি অভিযুক্তদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে আসছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসার বারান্দায় এক নারীকে কান ধরে বারবার উঠবস করানো এবং লাঠি দিয়ে মারধর করতে দেখে একজন সংবাদকর্মী ও তিনজন নারী সমাজকর্মী ঘটনাস্থলে এগিয়ে যান। তারা বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে প্রথমে বাধার মুখে পড়েন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে কৌশলে বাসার ভেতরে ঢুকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের সময় মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, তাকে গরম খুন্তি ও কড়াই দিয়ে দগ্ধ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই তার ওপর এ নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। এর আগেও তাকে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মী নির্যাতন, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতি

আপডেট সময় ০৯:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্রের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে সোলার পার্ক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দুজনই সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি নরসিংদী। ছোটবেলা থেকেই তিনি অভিযুক্তদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে আসছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসার বারান্দায় এক নারীকে কান ধরে বারবার উঠবস করানো এবং লাঠি দিয়ে মারধর করতে দেখে একজন সংবাদকর্মী ও তিনজন নারী সমাজকর্মী ঘটনাস্থলে এগিয়ে যান। তারা বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে প্রথমে বাধার মুখে পড়েন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে কৌশলে বাসার ভেতরে ঢুকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের সময় মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, তাকে গরম খুন্তি ও কড়াই দিয়ে দগ্ধ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই তার ওপর এ নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। এর আগেও তাকে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস