সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রপ্তানি বহুমুখীকরণে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনরর্থায়ন স্কিম চালু ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গুলশানে অভিযান, অর্ধশতাধিক দোকান উচ্ছেদ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ চালু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভা আজ সংসদ খুব কালারফুল দেখাচ্ছে: স্পিকার রামিসা হত্যা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রায়ে আপাতত সরকার সন্তুষ্ট, উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে আশা আইনমন্ত্রীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা: সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রামিসা হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পড়া শুরু করেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই মামলার অপর আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানা ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে আনে পুলিশ। এরপর তাদের দুজনকে হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করে আদালত। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।

একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com