ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০৪ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় এমবা মার্সিয়াহ

চলতি বছর হজ পালন করা সবচেয়ে বয়স্ক হাজি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবা মার্সিয়াহ (১০৪)।

জানা গেছে, তিনি ইন্দোনেশিয়ার ২০২৬ সালের হজ কাফেলার অংশ হিসেবে অনুমোদিত ২ লাখ ২১ হাজার মুসল্লির একজন ছিলেন। ২০২১ সালে হজের জন্য নিবন্ধন করেন এবং বহু বছর ধরে অর্থ জমিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা চালান। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত খাবার বিক্রি করতেন এবং সেখান থেকে অল্প অল্প করে সঞ্চয় করতেন।

হজ মিডিয়া সেন্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমবা মার্সিয়াহ বলেন, আমি ঐতিহ্যবাহী জাউ বিক্রি করি। আমি অল্প অল্প করে অর্থ জমিয়েছি। সেই অর্থগুলো আমি একটি পাত্রে জমিয়ে রাখতাম। যদি কোনো ঘাটতি হয়, আমার ছেলে তাতে যোগ করে দিত।

দীর্ঘ সময় সঞ্চয়ের মাধ্যমে তিনি হজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। প্রথমদিকে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি, এমনকি কাছের আত্মীয় বা প্রতিবেশীদেরও না। পরে সঞ্চয় বৃদ্ধি পাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ করেন এই নারী।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্ম নেয়া মারসিয়াহ এখন লাঠির সাহায্যে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের বেশিরভাগ সময় তিনি হুইলচেয়ারের সাহায্যে চলাফেরা করেছেন। তিনি ২২ মে সকালে মক্কায় পৌঁছান, তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহর সঙ্গে।

ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ জানান, মার্সিয়াহ সুস্থ আছেন এবং হজযাত্রার সকল কার্যক্রম সফলভাবে হজ পালন করেছেন।

সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

১০৪ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় এমবা মার্সিয়াহ

আপডেট সময় ১২:৪৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

চলতি বছর হজ পালন করা সবচেয়ে বয়স্ক হাজি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবা মার্সিয়াহ (১০৪)।

জানা গেছে, তিনি ইন্দোনেশিয়ার ২০২৬ সালের হজ কাফেলার অংশ হিসেবে অনুমোদিত ২ লাখ ২১ হাজার মুসল্লির একজন ছিলেন। ২০২১ সালে হজের জন্য নিবন্ধন করেন এবং বহু বছর ধরে অর্থ জমিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা চালান। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত খাবার বিক্রি করতেন এবং সেখান থেকে অল্প অল্প করে সঞ্চয় করতেন।

হজ মিডিয়া সেন্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমবা মার্সিয়াহ বলেন, আমি ঐতিহ্যবাহী জাউ বিক্রি করি। আমি অল্প অল্প করে অর্থ জমিয়েছি। সেই অর্থগুলো আমি একটি পাত্রে জমিয়ে রাখতাম। যদি কোনো ঘাটতি হয়, আমার ছেলে তাতে যোগ করে দিত।

দীর্ঘ সময় সঞ্চয়ের মাধ্যমে তিনি হজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। প্রথমদিকে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি, এমনকি কাছের আত্মীয় বা প্রতিবেশীদেরও না। পরে সঞ্চয় বৃদ্ধি পাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ করেন এই নারী।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্ম নেয়া মারসিয়াহ এখন লাঠির সাহায্যে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের বেশিরভাগ সময় তিনি হুইলচেয়ারের সাহায্যে চলাফেরা করেছেন। তিনি ২২ মে সকালে মক্কায় পৌঁছান, তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহর সঙ্গে।

ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ জানান, মার্সিয়াহ সুস্থ আছেন এবং হজযাত্রার সকল কার্যক্রম সফলভাবে হজ পালন করেছেন।

সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

বাংলা৭১নিউজ/জেএস