ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করবে না ইরান

উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করবে না তেহরান। রোববার (২৪ মে) রয়টার্সকে একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ‘ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। এটি চুক্তির অংশও নয়।

এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময়ে এসেছে যখন দুজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন যে, ইরান ঠিক কীভাবে ইউরেনিয়াম ত্যাগ করবে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর পরিবর্তে, দৃশ্যত তা ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এর পরিবর্তে, একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর যে আলোচনা শুরু হবে, সেই আলোচনার মাধ্যমে এর সুনির্দিষ্ট বিবরণগুলো নির্ধারণ করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ অসংখ্য নিহত এবং ইরানের অনেক অবকাঠামো ধ্বংস হয়। পাল্টা হামলা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সম্পদ ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে তেহরান।

কয়েক সপ্তাহের সংঘাতের পর একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েকবারের চেষ্টাতেও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি তেহরান-ওয়াশিংটন। তবে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করবে না ইরান

আপডেট সময় ১০:১৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করবে না তেহরান। রোববার (২৪ মে) রয়টার্সকে একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ‘ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। এটি চুক্তির অংশও নয়।

এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময়ে এসেছে যখন দুজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন যে, ইরান ঠিক কীভাবে ইউরেনিয়াম ত্যাগ করবে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর পরিবর্তে, দৃশ্যত তা ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এর পরিবর্তে, একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর যে আলোচনা শুরু হবে, সেই আলোচনার মাধ্যমে এর সুনির্দিষ্ট বিবরণগুলো নির্ধারণ করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ অসংখ্য নিহত এবং ইরানের অনেক অবকাঠামো ধ্বংস হয়। পাল্টা হামলা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সম্পদ ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে তেহরান।

কয়েক সপ্তাহের সংঘাতের পর একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েকবারের চেষ্টাতেও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি তেহরান-ওয়াশিংটন। তবে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস