ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটি শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় মাটি সরে ৩৩ কেবি লাইনের দুইটি পিলার হেলে যাওয়ায় পুরো শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৮টা থেকে শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হযে যায়। কখন সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলতে পারছে না পিডিবি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী ( বিতরণ) স্বাগত সরকার জানান, চলমান ভারী বর্ষণের ফলে কুতুকছড়ি সাব স্টেশনের শুকুরছড়িতে ৩৩ কেবি লাইনের দুইটি পিলার গোড়ার মাটি সরে হেলে পড়েছে। ফলে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, এ লাইনে কাজ করতে হলে ক্রেনের প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোন ক্রেন নেই। তবুও আমাদের লোকজন ম্যানুয়্যলি পিলার সোজা করতে কাজ করছে। তবে এভাবে আদো পিলার সোজা করা যাবে কিনা তা বলা সম্ভব নয়। যদি সম্ভব না হয় তাহলে চট্টগ্রাম থেকে ক্রেন না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

গণমাধ্যমকর্মী শংকর হোড় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এমনিতে ভারী বর্ষণ চলছে। তার মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো শহর ভূতুরে নগরীতে পরিণত হয়েছে। মোবাইলের চার্জও প্রায় শেষ। এমন অবস্থা কোন দুর্ঘটনা ঘটলে কী হবে সেটা ভাবতেই গা শিউড়ে উঠছে।

তিনি আরও জানান, এটাকে আমি পিডিবির চরম অবহেলা বলবো। পিডিবির দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি নেয়া উচিৎ ছিল।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। পিডিবিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিষটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অবহিত করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটি শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

আপডেট সময় ০২:০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় মাটি সরে ৩৩ কেবি লাইনের দুইটি পিলার হেলে যাওয়ায় পুরো শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৮টা থেকে শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হযে যায়। কখন সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলতে পারছে না পিডিবি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী ( বিতরণ) স্বাগত সরকার জানান, চলমান ভারী বর্ষণের ফলে কুতুকছড়ি সাব স্টেশনের শুকুরছড়িতে ৩৩ কেবি লাইনের দুইটি পিলার গোড়ার মাটি সরে হেলে পড়েছে। ফলে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, এ লাইনে কাজ করতে হলে ক্রেনের প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোন ক্রেন নেই। তবুও আমাদের লোকজন ম্যানুয়্যলি পিলার সোজা করতে কাজ করছে। তবে এভাবে আদো পিলার সোজা করা যাবে কিনা তা বলা সম্ভব নয়। যদি সম্ভব না হয় তাহলে চট্টগ্রাম থেকে ক্রেন না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

গণমাধ্যমকর্মী শংকর হোড় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এমনিতে ভারী বর্ষণ চলছে। তার মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো শহর ভূতুরে নগরীতে পরিণত হয়েছে। মোবাইলের চার্জও প্রায় শেষ। এমন অবস্থা কোন দুর্ঘটনা ঘটলে কী হবে সেটা ভাবতেই গা শিউড়ে উঠছে।

তিনি আরও জানান, এটাকে আমি পিডিবির চরম অবহেলা বলবো। পিডিবির দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি নেয়া উচিৎ ছিল।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। পিডিবিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিষটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অবহিত করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস