বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সদর হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ চালু করা গেলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব : জুবাইদা রহমান সংবিধান সংস্কারে সুযোগ না পেলে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান, ভিড় না করার অনুরোধ চিকিৎসকদের টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই জাদুঘর না খুললে জনগণ খুলে নেবে: নাহিদ ইসলাম দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাবির শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন

পানির ভেতর লুকিয়ে ভয়ংকর জীবাণু, সতর্ক করল বিজ্ঞানীরা

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে
পানির ভেতর চোখে দেখা যায় না এমন এক ক্ষুদ্র জীব এখন বিশ্বজুড়ে নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে সামনে এসেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই অদৃশ্য জীবটি মানুষের জন্য ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন ও পুরোনো পানি ব্যবস্থার কারণে এর বিস্তার বাড়ছে।
গবেষণা অনুযায়ী, পানির ভেতর লুকিয়ে প্রাণঘাতী অ্যামিবা নামের এককোষী এই জীব সাধারণত মাটি ও মিঠা পানিতে থাকে। বেশিরভাগ অ্যামিবা ক্ষতিকর না হলেও কিছু প্রজাতি মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো এক ধরনের অ্যামিবা, যা মস্তিষ্ক ধ্বংসকারী হিসেবেও পরিচিত।
দূষিত পানি নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করলে এটি সরাসরি মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় এবং দ্রুত মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট করে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, এই সংক্রমণের ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জীবাণু অত্যন্ত সহনশীল। এটি উচ্চ তাপমাত্রা এবং পানিশোধনে ব্যবহৃত শক্তিশালী জীবাণুনাশকও সহ্য করতে পারে। এমনকি পানি সরবরাহের পাইপের ভেতরেও এটি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সক্ষম।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই অ্যামিবার ভেতর অনেক সময় অন্যান্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু আশ্রয় নেয়। ফলে পানি শোধনের পরেও কিছু জীবাণু বেঁচে থাকতে পারে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই জীবাণুর বিস্তারও বাড়ছে। আগে যেসব এলাকায় এটি দেখা যেত না, এখন সেসব এলাকাতেও এর উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে অপরিষ্কার হ্রদ বা জলাশয়ে সাঁতার কাটার সময় সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।
এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় গবেষকরা পানি ব্যবস্থার উন্নত পর্যবেক্ষণ, দ্রুত শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের সমন্বিত কাজের ওপর জোর দিচ্ছেন।
তাদের মতে, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিক না করা এবং সচেতনতা না বাড়ালে ভবিষ্যতে এই অদৃশ্য জীব বড় ধরনের স্বাস্থ্যসংকট তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্ক বার্তা একটাই, পানির নিচে লুকিয়ে থাকা এই নীরব হুমকিকে এখনই গুরুত্ব না দিলে ঝুঁকি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com