বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড খাল ও নদী খননের মাধ্যমে ভূমিকম্প মোকাবেলা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি থেকে এআই, ২০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন শি-পুতিন এ দেশের মানুষ কখনো জামায়াতকে ক্ষমতায় আনবে না: মির্জা ফখরুল আগামী তিন বছরের মধ্যে অর্গানিক মাংস রপ্তানির ঘোষণা প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী ‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’ লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা আনসার বাহিনীকে আরও দক্ষ-গতিশীল করে তুলবে: প্রধানমন্ত্রী

হামের টিকার ব্যাপারে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকারকে ৫টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল: ইউনিসেফ

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও বাংলাদেশে গত বছর হামের রুটিন টিকার দীর্ঘমেয়াদি সংকট ছিল বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে লেখা অন্তত পাঁচটি চিঠিতে সম্ভাব্য টিকা-সংকটের কথা বলে সতর্ক করেছিল।

তারা ১০টি মিটিংয়ে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে একই কথা জানিয়েছিল। কিন্তু টিকার অপর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে শেষ পর্যন্ত দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।

বুধবার বিকালে রাজধানীর ইউনিসেফ বাংলাদেশের জেপিজি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘হামের প্রাদুর্ভাব এবং চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলা কার্যক্রম’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

ইউনিসেফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ১৭.৮ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা পেয়েছে—যা দেশটির মোট চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডোজ টিকার প্রয়োজন হয়, কিন্তু পর্যাপ্ত সরবরাহের অভাবে রুটিন টিকাদান কর্মসূচি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৪ সাল থেকে সরকারের সাথে অন্তত ১০টি বৈঠকে তারা এই টিকা সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এর পাশাপাশি ৫ থেকে ৬টি আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়—উভয়কেই এই পরিস্থিতির বিষয়ে আগেভাগে অবহিত করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্নের কারণে অনেক শিশু টিকা ছাড়াই থেকে যায়। এটি দেশে হাম সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত বড় আকারের প্রাদুর্ভাবের সৃষ্টি করে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

চলতি বছরের মে মাস থেকে দেশে পুনরায় হামের রুটিন টিকা আসতে শুরু করেছে। সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এখন টিকাদান কর্মসূচি ত্বরান্বিত করা, উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের কাছে পৌঁছানো এবং প্রাদুর্ভাব কবলিত এলাকায় নজরদারি জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংকট তৈরির মূল কারণ ব্যাখ্যা করে ইউনিসেফ জানিয়েছে, এই সংকট কোনো অর্থ বা তহবিলের অভাবের কারণে হয়নি; বরং ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে সময়মতো টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com