ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহবাগে মেস থেকে তরুণ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর শাহবাগের একটি মেস থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও চিকিৎসক ডা. আবিদ হাসান জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে হাবিবুল্লাহ রোডের ওই মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, জিসান কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সদ্য এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ধানমন্ডির একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও চিকিৎসা দিতেন। তিনি কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে হাবিবুল্লাহ রোডের ওই মেসে থাকতেন।

তার রুমমেট ও সহকর্মী দীপ্ত সিংহ জানান, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় জিসান স্বাভাবিক ছিলেন। পরে দুপুরে তার বড় ভাই ফোন করে জানান, জিসান ফোন ধরছেন না। এরপর বাসায় গিয়ে তাকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দীপ্ত সিংহ আরও জানান, জিসানের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল এবং তিনি নিয়মিত ওষুধ সেবন করতেন।

জিসানের বড় ভাই জাহিদ হাসান জানান, তাদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তিনি দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট ছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। দুপুরে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে বন্ধুর মাধ্যমে খবর পান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

শাহবাগে মেস থেকে তরুণ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:০২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগের একটি মেস থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও চিকিৎসক ডা. আবিদ হাসান জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে হাবিবুল্লাহ রোডের ওই মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, জিসান কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সদ্য এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ধানমন্ডির একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও চিকিৎসা দিতেন। তিনি কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে হাবিবুল্লাহ রোডের ওই মেসে থাকতেন।

তার রুমমেট ও সহকর্মী দীপ্ত সিংহ জানান, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় জিসান স্বাভাবিক ছিলেন। পরে দুপুরে তার বড় ভাই ফোন করে জানান, জিসান ফোন ধরছেন না। এরপর বাসায় গিয়ে তাকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দীপ্ত সিংহ আরও জানান, জিসানের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল এবং তিনি নিয়মিত ওষুধ সেবন করতেন।

জিসানের বড় ভাই জাহিদ হাসান জানান, তাদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তিনি দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট ছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। দুপুরে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে বন্ধুর মাধ্যমে খবর পান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস