ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেলো এরনবিলের বাঁধ

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার এরনবিল হাওরের একটি বাঁধ ভেঙে কিছু বোরো জমির ফসল তলিয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এই বাঁধের ভেতরে ৬-৭টি গ্রামের কৃষকদের প্রায় কয়েকশ একর বোরো ফসল রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের কাছে সুরেশ্বরী নদীর শাখা নদী মনাই নদীর পানির চাপে এরনবিলের খালের এই বাঁধটি ভেঙে যায়।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাওলাদার বলেন, মধ্যনগরে একটি জলমহালের বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে বলে জানা গেছে। এটা বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। জলমহালের তীরে হয়ত কিছু ধান থাকতে পারে।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় ঘোষ বলেন, এটা বারো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। এটি একটি বিলের খালের ওপর দেওয়া গ্রামীণ মাটির রাস্তা। পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে এটি ভেঙে গেছে। যেখানে পানি ঢুকছে সেটি জলমহাল।

এখানে ১১৪ হেক্টর জমি চাষাবাদ করা হয়েছিল। এরই মধ্যে অর্ধেক জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। পানিতে হয়ত ৫-১০ হেক্টর জমি ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেলো এরনবিলের বাঁধ

আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার এরনবিল হাওরের একটি বাঁধ ভেঙে কিছু বোরো জমির ফসল তলিয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এই বাঁধের ভেতরে ৬-৭টি গ্রামের কৃষকদের প্রায় কয়েকশ একর বোরো ফসল রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের কাছে সুরেশ্বরী নদীর শাখা নদী মনাই নদীর পানির চাপে এরনবিলের খালের এই বাঁধটি ভেঙে যায়।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাওলাদার বলেন, মধ্যনগরে একটি জলমহালের বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে বলে জানা গেছে। এটা বোরো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। জলমহালের তীরে হয়ত কিছু ধান থাকতে পারে।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় ঘোষ বলেন, এটা বারো ফসলরক্ষার কোনো বাঁধ নয়। এটি একটি বিলের খালের ওপর দেওয়া গ্রামীণ মাটির রাস্তা। পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে এটি ভেঙে গেছে। যেখানে পানি ঢুকছে সেটি জলমহাল।

এখানে ১১৪ হেক্টর জমি চাষাবাদ করা হয়েছিল। এরই মধ্যে অর্ধেক জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। পানিতে হয়ত ৫-১০ হেক্টর জমি ধান তলিয়ে যেতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি