ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্মেন্স স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজধানীর বাড্ডায় তার নিজ বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষার্থীর নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তার বাসা থেকে একটি নোট এবং মোবাইল ফোন থেকে কিছু কথোপকথন পাওয়া গেছে। যেখানে তিনি বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তার এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনায় শিক্ষক এবং সহপাঠীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্মেন্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা বলেন, আমরা খবর পেয়ে সকালে বাড্ডায় যাই। সেখানে আমাদের সঙ্গেই অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে সুদীপ চক্রবর্তী ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকেই হেফাজতে নিয়েছে। তারা মোবাইলে কিছু বিষয় পেয়েছেন। এছাড়া তার একটি নোট পেয়েছেন। তবে আমাদের পুলিশ সেভাবে কিছু জানায়নি।

তিনি বলেন, তামান্না খুবই চঞ্চল ও মেধাবী। সে অন্যদের উৎসাহ দিতো। সে এ ধরনের কিছু করবে, তা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে বলার কোনো ভাষা নেই। পুলিশ বলেছে, এ বিষয়ে একটি মামলা হবে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে বিচার চাই।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ

বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম

আপডেট সময় ০৫:১৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্মেন্স স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজধানীর বাড্ডায় তার নিজ বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষার্থীর নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তার বাসা থেকে একটি নোট এবং মোবাইল ফোন থেকে কিছু কথোপকথন পাওয়া গেছে। যেখানে তিনি বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তার এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনায় শিক্ষক এবং সহপাঠীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্মেন্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা বলেন, আমরা খবর পেয়ে সকালে বাড্ডায় যাই। সেখানে আমাদের সঙ্গেই অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে সুদীপ চক্রবর্তী ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকেই হেফাজতে নিয়েছে। তারা মোবাইলে কিছু বিষয় পেয়েছেন। এছাড়া তার একটি নোট পেয়েছেন। তবে আমাদের পুলিশ সেভাবে কিছু জানায়নি।

তিনি বলেন, তামান্না খুবই চঞ্চল ও মেধাবী। সে অন্যদের উৎসাহ দিতো। সে এ ধরনের কিছু করবে, তা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে বলার কোনো ভাষা নেই। পুলিশ বলেছে, এ বিষয়ে একটি মামলা হবে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে বিচার চাই।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ