ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎপাদনে ফিরেছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

দুইদিন বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি। শুক্রবার রাত সোয়া ৮টায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার রাত সোয়া ৮টা থেকে প্রথম ইউনিট থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হচ্ছে। এর জন্য দৈনিক ৭শ’ টন কয়লার প্রয়োজন পড়বে।

তিনি আরও জানান, প্রথম ইউনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসার কারণে গত ২২ এপ্রিল রাত ১০টায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পুনরায়ম উৎপাদনে আসায় উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন কিংবাম লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে আসবে।

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট দ্বিতীয় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ। এছাড়া বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও ৬০-৬৫ মেগাওয়াট উৎপাদন হতো।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

উৎপাদনে ফিরেছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

আপডেট সময় ১১:৫৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

দুইদিন বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি। শুক্রবার রাত সোয়া ৮টায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার রাত সোয়া ৮টা থেকে প্রথম ইউনিট থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হচ্ছে। এর জন্য দৈনিক ৭শ’ টন কয়লার প্রয়োজন পড়বে।

তিনি আরও জানান, প্রথম ইউনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসার কারণে গত ২২ এপ্রিল রাত ১০টায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পুনরায়ম উৎপাদনে আসায় উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন কিংবাম লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে আসবে।

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট দ্বিতীয় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ। এছাড়া বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও ৬০-৬৫ মেগাওয়াট উৎপাদন হতো।

বাংলা৭১নিউজ/এবি