শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় সহযোগিতায় আগ্রহী চীন গুমের শিকার পরিবারের কষ্ট তুলে ধরে আবেগাপ্লুত বিএনপি মহাসচিব সংশোধন হচ্ছে আইন, আধুনিক অস্ত্র পাচ্ছেন মাদক কর্মকর্তারা ধ্বংসস্তূপ থেকে ভেসে আসছে চিৎকার, হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা মাছ-মুরগি থেকে সবজি, সবখানেই দাম ঊর্ধ্বমুখী শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৮৮, নিখোঁজের সংখ্যা ছাড়াল ৪১ হাজার নকআউটে ব্রাজিলের মুখোমুখি জাপান, মরক্কো খেলবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের স্বপ্ন দেখা ১৭ জন অভিবাসীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে লিবিয়ার উপকূল থেকে। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে অবস্থিত জুয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে স্থানীয় চিকিৎসকদের একটি দল নিশ্চিত করেছে। 

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকারী সংস্থাটি তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে উদ্ধার অভিযানের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায় যে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন। 

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ ইতিমধ্যেই যথাযথ ধর্মীয় ও আইনি নিয়মে দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে বাকি দুইজন মরদেহের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। লিবিয়ার স্থানীয় কর্মকর্তারা এই বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করছেন যাতে নিহতদের সঠিক পরিচয় এবং তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যায়। সাধারণত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি কিংবা সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়ার সময় তীব্র পানি ও খাদ্য সংকটে অভিবাসীদের এমন মৃত্যু ঘটে।

২০১১ সালে নেটো সমর্থিত বিদ্রোহের মাধ্যমে তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

যুদ্ধ দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচার আশায় আফ্রিকা এবং এশিয়ার হাজার হাজার মানুষ নিজেদের জীবন বাজি রেখে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com