রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আইএমএফের সঙ্গে ঋণ কর্মসূচি : মতপার্থক্য নিরসনে আলোচনা অব্যাহত গুলি, আগুন, জিম্মি: বন্দুকধারীর হামলায় কিয়েভে নিহত ৬ দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জামায়াত আমির দাম বেড়ে অকটেনের লিটার ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের দামামা, শান্তি আলোচনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু সরকার শূন্য থেকে কাজ শুরু করেছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সরকারের ৬০ দিনের বড় সাফল্য, জনগণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখেছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’কে ফেরাতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনে নিহিত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে অরক্ষিত নদী তীর, ভাঙন আতঙ্কে তিস্তা পাড়ের মানুষ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে তিস্তা নদী তীরের সাড়ে ৩ কিলোমিটার অরক্ষিত এলাকায় বসবাসরত মানুষ রয়েছে ভাঙন আতঙ্কে। পাশাপাশি সাড়ে ১৪ কিলোমিটার নদী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৩টি পয়েন্টে কাজ শুরু না করায় বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের জন্য যেন উন্মুখ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বলছেন হঠাৎ করেই পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ সাময়িক বন্ধ রয়েছে। পানি নেমে গেলেই দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করা হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন প্রকল্পের (দক্ষিণ প্রকল্প) আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জেলার উলিপুর উপজেলায় তিস্তা নদীর বাম তীরে অতি স্পর্শকাতর ভাঙন কবলিত এলাকায় ৪০টি প্যাকেজে ৮৫ লাখ টাকার কাজ হাতে নেয়া হয়। বর্ষার আগেই ৭৫ভাগ কাজ শেষ করা হলেও, এখনো ৩টি প্যাকেজের কাজ শুরু না করায় শঙ্কায় রয়েছে ওই এলাকার মানুষ।

পাশাপাশি একই উপজেলার বজরা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর বাম তীরের সাড়ে ৩ কিলোমিটার অরক্ষিত এলাকার জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ না হওয়ায় সামনের বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে নদী ভাঙন ও পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন নদী তীরের মানুষ।

স্থানীয় বকুল মিয়া (৪০) আব্দুল আজিজ মিয়া (৬০) মোছা. আকলিমা বেগমসহ (৫৫) অনেকেই বলেন, পশ্চিমে ওয়াপদার ক্রস বাঁধ থেকে পূর্বে গাইবান্ধা জেলার কাসিমবাজার পর্যন্ত ভাঙন রোধে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হলেও মাঝখানে কোনো কাজ করা হচ্ছে না।

সামনে বন্যায় এই এলাকার প্রায় ২৫ হাজার মানুষের অবস্থা ভয়াবহ হবে। বন্যার সময় আমাদেরকে বাড়িঘর ছেড়ে দূরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। এসময় অনেককে গরু-ছাগল ও ঘরবাড়ি নিয়ে রাস্তায় অবস্থান করতে হয়।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেন, আমার বজরা ইউনিয়নের সাড়ে ৬ কিলোমিটার তিস্তা নদী তীরের মধ্যে ৩ কিলোমিটার তীর রক্ষা কাজের বরাদ্দ আসলেও এখনো তিনটি প্যাকেজের কাজ শুরু করা হয়নি। পাশাপাশি বাকী সাড়ে ৩ কিলোমিটার নদী তীরের জন্য কোনো বরাদ্দ না আসায় সামনের বন্যায় অরক্ষিত এলাকার মানুষের জীবনে চরম ভোগান্তি নেমে আসবে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীতে দুটি ফেজে সাড়ে ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি প্যাকেজে ডাম্পিং কাজ হলেও স্লোপ ব্লেসিং করা শুরু হয়নি। নদীর পানি নেমে গেলেই দ্রুত কাজ শেষ করা হবে।

এর বাইরে ৩য় ফেজে আরও ঝুঁকিপূর্ণ। সাড়ে ৩ কিলোমিটারের কাজের চাহিদা দেওয়া হলেও সেটার কোনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এই বর্ষায় আমরা সেগুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছি। কোন ভাঙন দেখা দিলে আমরা জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রক্ষা করব।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com