ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস Logo তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লি গেলেন ভারতীয় হাইকমিশনার Logo প্রধানমন্ত্রীকে কাশ্মীরি ‘কালো’ শাল : ফ্যাশন নাকি ডিপ্লোম্যাসির চতুর চাল! Logo ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিপাতে ১৬ জনের প্রাণহানি Logo মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ‘জাতির মূল্যবান বন্ধু’ বললেন তারেক রহমান Logo গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি মেসির আইনজীবীদের Logo বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভিসার এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট Logo দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক Logo ‎দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল Logo ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী

আইএমএফের কিস্তি নিয়ে হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের কিস্তি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইএমএফের সঙ্গে দেন-দরবারে কয়েকটি বিষয়ে সমাধান হয়নি। আগামী দুই সপ্তাহে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আইএমএফের হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই। বিষয়টি এমন না আলোচনা আজকে শেষ, সামনে আরও আলোচনা হবে। সবাইকে বুঝতে হবে এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।

বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইএমএফ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের চলমান বসন্তকালীন বৈঠকে সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কম রাজস্ব আহরণ ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)  ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিস্তি না করে দিয়েছে। এমন একটা সংবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, যিনি এমন সংবাদ লিখেছেন তাকে এর উত্তর দিতে হবে আমার এমন বিষয়ে কিছু জানা নেই।

আন্তর্জাতিক মূদ্রা তহবিল-আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলছে। এ পর্যন্ত ৫ কিস্তিতে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি পরিমাণ অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্থগিত করে রাখা কিস্তির অর্থ ছাড়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে।

ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায়, এই ঋণের অর্থ ছাড় নিশ্চিতের চেষ্টা ছিল অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের। ১৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বৈঠকের পঞ্চম দিনে, আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠকেও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয় ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি।

এবারের বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনাগুলোতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে আইএমএফ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিছু বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে যা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে এরইমধ্যে অনেকগুলো বিষয় সফলভাবে সমাধান করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন,  অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস

আইএমএফের কিস্তি নিয়ে হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আইএমএফের কিস্তি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইএমএফের সঙ্গে দেন-দরবারে কয়েকটি বিষয়ে সমাধান হয়নি। আগামী দুই সপ্তাহে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আইএমএফের হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই। বিষয়টি এমন না আলোচনা আজকে শেষ, সামনে আরও আলোচনা হবে। সবাইকে বুঝতে হবে এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।

বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইএমএফ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের চলমান বসন্তকালীন বৈঠকে সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কম রাজস্ব আহরণ ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)  ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিস্তি না করে দিয়েছে। এমন একটা সংবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, যিনি এমন সংবাদ লিখেছেন তাকে এর উত্তর দিতে হবে আমার এমন বিষয়ে কিছু জানা নেই।

আন্তর্জাতিক মূদ্রা তহবিল-আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলছে। এ পর্যন্ত ৫ কিস্তিতে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি পরিমাণ অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্থগিত করে রাখা কিস্তির অর্থ ছাড়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে।

ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায়, এই ঋণের অর্থ ছাড় নিশ্চিতের চেষ্টা ছিল অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের। ১৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বৈঠকের পঞ্চম দিনে, আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠকেও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয় ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি।

এবারের বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনাগুলোতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে আইএমএফ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিছু বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে যা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে এরইমধ্যে অনেকগুলো বিষয় সফলভাবে সমাধান করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন,  অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ