
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা বৈরিতা কাটিয়ে অবশেষে সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিবেশী দেশ ইসরায়েল ও লেবানন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুই দেশের শীর্ষ নেতারা একে অপরের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল) শেষরাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’- এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা জানান। তিনি বলেন, “ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটু স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা কথা বলতে যাচ্ছেন। এটি আগামীকালই (বৃহস্পতিবার) ঘটবে।”
গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই ঘোষণা এলো। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা, পররাষ্ট্র দপ্তরের উপদেষ্টা মাইকেল নিডহাম এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের উপস্থিতিতে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার এই বৈঠকে মিলিত হন।
হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।
ট্রাম্প গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে লেবাননে হামলা কমাতে অনুরোধ করেছেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও, গত ২ মার্চ ইরান যুদ্ধে অংশ নিয়ে হিজবুল্লাহর আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ভয়াবহ আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/এবি