বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

চৈত্রের দিনে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন পঞ্চগড়, সঙ্গে শীতের অনুভূতি

পঞ্চগড়, প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

চৈত্রের সকালে ‘বাষ্পীয় কুয়াশা’য় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। ঋতু পরিবর্তনে শীত বিদায় নিলেও মাঝেমধ্যেই দেখা মিলছে এমন অস্বাভাবিক কুয়াশার। এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে এই কুয়াশা বিরাজ করছে। সঙ্গে বয়ে যাচ্ছে শীতল বাতাস। পড়ছে কুয়াশা বৃষ্টি। যেন মাঘ মাসের শীতের আমেজ।

চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা জেলার প্রবীণরাও আগে কখনো দেখেননি বলছেন। 

তাদের ভাষ্য, এ সময়টাতে কাঠফাটা রোদ্দুর আর অতিরিক্ত তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস করার কথা, অথচ এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে প্রকৃতিতে। আবহাওয়ার এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনে দেখা দিয়েছে নানান রোগবালাই।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি পর্যন্ত। বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হওয়ার কারণে ঘন কুয়াশা দেখা দিচ্ছে। এটিকে মূলত ‘বাষ্পীয় কুয়াশা’ বলা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আজ ২০ চৈত্র, ৩ এপ্রিল। আজকের সকালটা পুরোটাই অন্যরকম। চারিদিকে ঘন কুয়াশা– গাছপালা, মাঠ-ঘাট সব ঢেকে গেছে কুয়াশায়। রাস্তাঘাটে যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। অথচ এই সময়টাতে প্রচণ্ড গরম লাগার কথা, রোদের তাপে শরীর পুড়ে যাওয়ার কথা। গরমে মানুষ হাসফাঁস করে, ফ্যান চালিয়েও স্বস্তি পায় না। সেই সময়ে ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।

জীবনে আমি এমন আবহাওয়া দেখিনি উল্লেখ করে জেলা শহরের ডোকড়ো পাড়ার ষাটোর্ধ্ব তরিকুল ইসলাম বলেন, চৈত্র মাসের গরমে যেখানে সহ্য করা মুশকিল হয়ে পড়ে, সেখানে কাথা-কম্বল গায়ে নিয়ে রাতে ঘুমাতে হচ্ছে।

সকালে বের হলে গরম কাপড় পরতে হয় জানিয়ে শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নারী শ্রমিক সফিজা বেগম বলেন, সকাল থেকে ঘন কুয়াশা, মাঝে মাঝে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। 

পরিবহন শ্রমিক সাইফুল ইসলাম বলেন, চৈত্র মাসেও এমন ঘন কুয়াশা পড়াটা অবাক লেগেছে। তাই হেডলাইট জ্বালিয়ে এবারই প্রথম গাড়ি চালিয়েছি।

এই এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবারও পঞ্চগড়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। কুয়াশা কেটেছে সকাল ১১টার পর। আজ শুক্রবারও একই রকম আবহাওয়া বয়ে যাচ্ছে। কখন সূর্যের আলো দেখা যাবে তা বলা যায়না।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com