ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপ্রিলে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানি করবে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, এপ্রিল মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন সরবরাহ পাওয়া যাবে। ফলে মাসিক চাহিদা ৩৫ হাজার মেট্রিক টন হলেও বর্তমান ব্যবস্থাপনায় অন্তত দুই মাসের অতিরিক্ত মজুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হলেও বাংলাদেশ আগাম প্রস্তুতি, ধারাবাহিক আমদানি এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়লেও দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ১০০ টাকা হলেও, প্রকৃত ব্যয় প্রায় ১৯৮ টাকা। অকটেনের ক্ষেত্রেও সরকার ভর্তুকি বহন করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ডিজেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। অকটেনের জন্য ৬৩৬ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানিতে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকেও ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকার ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, “এই সরকার বিশ্বাস করে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব হলো সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

ইকবাল হাসান মাহমুদ সংসদে বলেন, “আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বৈদেশিক সংকটের মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানির দাম বারবার সমন্বয় করতে হয়েছে। প্রতিবেশী দেশে ২৫ শতাংশেরও বেশি মূল্য বেড়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সরকার জনগণের স্বার্থে অগ্রাধিকার দিয়ে দাম স্থিতিশীল রেখেছে। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন, পরিবহন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বহুগুণ বেড়ে যায়।”

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

এপ্রিলে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানি করবে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, এপ্রিল মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন সরবরাহ পাওয়া যাবে। ফলে মাসিক চাহিদা ৩৫ হাজার মেট্রিক টন হলেও বর্তমান ব্যবস্থাপনায় অন্তত দুই মাসের অতিরিক্ত মজুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হলেও বাংলাদেশ আগাম প্রস্তুতি, ধারাবাহিক আমদানি এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়লেও দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ১০০ টাকা হলেও, প্রকৃত ব্যয় প্রায় ১৯৮ টাকা। অকটেনের ক্ষেত্রেও সরকার ভর্তুকি বহন করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ডিজেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। অকটেনের জন্য ৬৩৬ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানিতে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকেও ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকার ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, “এই সরকার বিশ্বাস করে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব হলো সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

ইকবাল হাসান মাহমুদ সংসদে বলেন, “আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বৈদেশিক সংকটের মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানির দাম বারবার সমন্বয় করতে হয়েছে। প্রতিবেশী দেশে ২৫ শতাংশেরও বেশি মূল্য বেড়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সরকার জনগণের স্বার্থে অগ্রাধিকার দিয়ে দাম স্থিতিশীল রেখেছে। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন, পরিবহন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বহুগুণ বেড়ে যায়।”

বাংলা৭১নিউজ/জেএস