বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বুলেট ট্রেনে’ ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী ‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বলিউডের স্বজনপ্রীতিতে কাজ হারান কৃতি শ্যানন

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

বলিউডে বহিরাগত হিসেবে নিজের জায়গা করে নেওয়ার লড়াই এবং স্বজনপোষণ (নেপোটিজম) নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে একাধিক সিনেমায় চূড়ান্ত হওয়ার পরও শুধুমাত্র তারকা সন্তানদের সুযোগ করে দিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। গ্ল্যামার জগতের এই রূঢ় বাস্তবতা নিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন ভারতের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। 

কৃতি জানান, বলিউডের স্বজনপ্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়, বরং এটি এক কঠিন সত্য। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, এমন অনেক সময় গেছে যখন কোনো সিনেমায় আমাকে প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে কোনো এক প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানের জন্য আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

কৃতির মতে, এই বৈষম্য সমাজের সব ক্ষেত্রেই আছে, তবে শোবিজ অঙ্গনে এটি বেশি দেখা যায়। একজন বহিরাগতকে যেখানে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়, সেখানে তারকা সন্তানদের জন্য পথটা অনেক বেশি মসৃণ থাকে।

বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলো অনেক সময় পরিচিত মুখ বা তারকা সন্তানদের নিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে বলে মন্তব্য করেন কৃতি। তিনি আরও যোগ করেন, একজন আউটসাইডারের জন্য একটি সিনেমা ফ্লপ হওয়া মানে ক্যারিয়ার প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া, কিন্তু স্টারকিডরা বারবার সুযোগ পেতে থাকেন। 

তবে এত বাধা সত্ত্বেও কৃতি দমে যাননি। ‘বরেলি কি বরফি’, ‘মিমি’ কিংবা ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’-র মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে শেষ পর্যন্ত প্রতিভাই টিকে থাকে। বিশেষ করে ‘মিমি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য।

বাংলা৭১নিউজ/একেএম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com