ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo স্মার্টফোনের দাম ৫০–৬০ ডলারে নামানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার Logo মরদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চুরির মামলা, ‘বড় অঙ্কে’র ক্ষতিপূরণ দেবে হার্ভার্ড Logo চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ Logo ১৪ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় Logo উত্তর সিটির রিকশা ঢুকতে পারবে না দক্ষিণে : ডিএসসিসি প্রশাসক Logo গভীর রাতে পিৎজার দোকানে তিন সেকেন্ডে ৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ Logo ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঝুঁকিতে ১৭ হাজার গর্ভবতী Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা Logo ফরিদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ৩ দিন পর খাদে মিলল কলেজছাত্রের মরদেহ Logo অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে: তথ্যমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে আয়োজিত শহীদ দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার এই কালো দিনটিকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা কেবল সরকারের নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন,আমি আজ এখানে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসিনি; একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার পরপরই আমি যখন বনানী কবরস্থানে শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, তখনই অনুভব করেছি যে গত ১৭ বছর ধরে বিচারের আশায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। তাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনা জাতির জন্য অত্যন্ত বেদনার।

তারেক রহমান পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তার এক বড় চ্যুতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনী যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্বের প্রধান প্রতীক। পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের ওপর যে পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছিল, তা মূলত আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে ভঙ্গুর করার একটি নীল নকশা ছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার যে মারাত্মক দুর্বলতা সেদিন ফুটে উঠেছিল, তা পূরণ করা জরুরি।

তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী দেশের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো বহিঃশত্রু বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রকারী দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার সাহস না পায়। সেনা পরিবারগুলোর কল্যাণে এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে তার সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

Tag :

স্মার্টফোনের দাম ৫০–৬০ ডলারে নামানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে আয়োজিত শহীদ দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার এই কালো দিনটিকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা কেবল সরকারের নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন,আমি আজ এখানে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসিনি; একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার পরপরই আমি যখন বনানী কবরস্থানে শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, তখনই অনুভব করেছি যে গত ১৭ বছর ধরে বিচারের আশায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। তাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনা জাতির জন্য অত্যন্ত বেদনার।

তারেক রহমান পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তার এক বড় চ্যুতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনী যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্বের প্রধান প্রতীক। পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের ওপর যে পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছিল, তা মূলত আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে ভঙ্গুর করার একটি নীল নকশা ছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার যে মারাত্মক দুর্বলতা সেদিন ফুটে উঠেছিল, তা পূরণ করা জরুরি।

তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী দেশের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো বহিঃশত্রু বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রকারী দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার সাহস না পায়। সেনা পরিবারগুলোর কল্যাণে এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে তার সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস