ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরের রাজপরিবারে জন্ম, কৈশোরে মুম্বাইয়ের বস্তিতে বাস— কে এই গায়িকা Logo ককরোচ পার্টির আন্দোলন মোদি সরকারের জন্য বিপদঘণ্টা Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে দেবে না ইসি! Logo শিল্পকলায় রুনা লায়লার সংগীতানুষ্ঠান শুক্রবার Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা আটক Logo শহীদ জিয়ার রাজনীতিক হয়ে ওঠার পেছনে অন্যতম কারিগর ছিলেন যাদু মিয়া: তথ্যমন্ত্রী Logo জোরালো হচ্ছে মোদির পদত্যাগের দাবি Logo সরকার সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo তেজগাঁওয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যা, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ২

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে ৭ হাজার অবৈধ প্রবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে কোন দেশের কতজন তা জানা যায়নি।

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও কঠোর, সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করছে। যারা অভিবাসন আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য। এছাড়া ১ হাজার ২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায়, অর্থাৎ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করার কারণে।

আরও ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধের আওতায় নথিভুক্ত হয়েছে।

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের রাজপরিবারে জন্ম, কৈশোরে মুম্বাইয়ের বস্তিতে বাস— কে এই গায়িকা

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে ৭ হাজার অবৈধ প্রবাসী আটক

আপডেট সময় ১১:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে কোন দেশের কতজন তা জানা যায়নি।

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও কঠোর, সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করছে। যারা অভিবাসন আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য। এছাড়া ১ হাজার ২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায়, অর্থাৎ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করার কারণে।

আরও ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধের আওতায় নথিভুক্ত হয়েছে।

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ