টি টোয়েন্টি ক্রিকেটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নতুন নতুন নিয়মের প্রয়োগ দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে বরাবরই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগ। আসন্ন মৌসুমে লিগটিতে চালু হতে যাচ্ছে নতুন নিয়ম ডেজিগনেটেড ব্যাটার ও ফিল্ডার।
এই নিয়ম অনুযায়ী কোনো দল চাইলে একজন খেলোয়াড়কে শুধুমাত্র ব্যাটার অথবা শুধুমাত্র ফিল্ডার হিসেবে খেলাতে পারবে। একটি দল যদি ডেজিগনেটেড ব্যাটার ব্যবহার করে তাহলে একই সঙ্গে একজন ডেজিগনেটেড ফিল্ডারের নামও ঘোষণা করতে হবে।
ডেজিগনেটেড ব্যাটার বলতে সেই খেলোয়াড়কে বোঝানো হচ্ছে, যিনি কেবল ব্যাটিং করবেন, ফিল্ডিং করার সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে ডেজিগনেটেড ফিল্ডার মানে এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি শুধু ফিল্ডিং ও কিপিং করতে পারবেন, তবে বোলিং করতে পারবেন না। টসের আগেই দুই দলের অধিনায়কদের মনোনীত ব্যাটার অথবা ফিল্ডারের নাম জানিয়ে দিতে হবে।
বিগ ব্যাশ লিগের ম্যানেজার অ্যালিস্টার ডাবসন জানিয়েছেন, এই নিয়ম দলগুলোকে আরও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে এবং দর্শকদের উপভোগ্যতা বাড়াবে। সাবেক অস্ট্রেলিয়া টেস্ট অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের মতে, নতুন নিয়ম চালু হলে তারকা ক্রিকেটাররা ক্লান্তি থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবেন। তিনি বলেন, এতে ফিল্ডিংয়ের সময় ইনজুরির ঝুঁকি কমবে, ফলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের ক্রিকেটাররাও বিগ ব্যাশ খেলতে আগ্রহী হতে পারেন।
এর আগে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম চালু করা হয়, যেখানে ইনিংসের মাঝপথে বদলি খেলোয়াড় নামানোর সুযোগ থাকে। বিগ ব্যাশেও ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এক্স ফ্যাক্টর প্লেয়ার নিয়ম চালু ছিল, যেখানে দুটি বদলি খেলোয়াড় ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে দলগুলোর আগ্রহ না থাকায় ২০২১-২২ মৌসুমের পর সেই নিয়ম বাতিল করা হয়।
বাংলা৭১নিউজ/এবি