
ফ্র্যাঞ্চাইজি টি–টোয়েন্টির সবচেয়ে জনপ্রিয় আসর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। আইপিএলে খেলা মানেই বিশ্ব ক্রিকেটে বড় স্বীকৃতি, সঙ্গে কোটিপতি হওয়ার সুযোগ। সে কারণেই বিশ্বের সব ক্রিকেটারের মতো বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাছেও আইপিএল একটি স্বপ্নের মঞ্চ।
২০০৮ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। প্রতি মৌসুমেই বাংলাদেশি ক্রিকেটভক্তদের আগ্রহ থাকে কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটার কোন দলে, কত দামে সুযোগ পেলেন।
আইপিএলের এবারের নিলামে নতুন ইতিহাস গড়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্য থেকে শুরু করে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তাকে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মূল্য। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
এর আগে ২০১৮ সালের আইপিএলে মোস্তাফিজকে ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এরপর একাধিক মৌসুম আইপিএলে খেললেও এত বড় অঙ্কে তাকে আর কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি নেয়নি।
বাংলাদেশিদের মধ্যে আইপিএলে সর্বোচ্চ দামে বিক্রির আগের রেকর্ডটি ছিল সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার দখলে। ২০০৯ সালের আইপিএলে তাকে ৬ লাখ ডলারে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। বর্তমান বিনিময় মূল্যে যা প্রায় ৫ কোটি ৪৫ লাখ রুপি, বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ৭ কোটি ৩৩ লাখ।
এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ২০১৫ সালের আইপিএলে তিনি ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলেছিলেন। নয়টি আইপিএল মৌসুমে অংশ নেওয়া সাকিব অবশ্য এবারের নিলামের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি।
আইপিএলের ইতিহাসে এভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছেন, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের।
বাংলা৭১নিউজ/এএস