বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কা ৩০ শতাংশ চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

দেশের জ্বালানি সরবরাহ জোরদারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি গ্যাসকূপের খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত এই কূপটির খনন উদ্বোধন করা হয় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাইয়ে প্রথম জরিপ পরিচালনা করা হয় ২০১২ সালে। পরে ২০২০ সালে ওই জরিপ প্রতিবেদনের আলোকে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিনটি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিজিএফসিএল। একই প্রকল্পের আওতায় গাজীপুরের কামতা গ্যাস ফিল্ডেও একটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিতাস ও কামতা গ্যাস ফিল্ডে মোট চারটি কূপ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব কূপ থেকে উৎপাদন শুরু হলে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদনে থাকা ২২টি কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপটির খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে একটি চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খনন সম্পন্ন করতে সময় লাগবে আনুমানিক দুই মাস। কাজ শেষে কূপটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, বিজিএফসিএল পরিচালিত গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন ইতোমধ্যে বেড়েছে। নতুন কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। 

তিনি আরও জানান, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর গভীর কূপ খনন প্রকল্পও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com