ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে যৌথ অভিযান, আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড Logo স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেওয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি: প্রধানমন্ত্রী Logo টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, পরিচয় মিলেছে ৮ জনের Logo রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ৩ বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী Logo মণিপুরে সহিংসতায় নিহত ৪, মরদেহ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ Logo রিজার্ভ চুরির মামলায় ৯৯ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন Logo স্বর্ণ ব্যবসায়ী দিলীপ আগরওয়ালা গ্রেপ্তার Logo সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামানের ২ দিনের রিমান্ড Logo সৌদির সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়, ঘোষণা পাকিস্তানের

‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব’

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি স্থানকে মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য অপসারণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা এর বড় প্রমাণ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকায় মহাসড়কের আরিচামুখী লেনের পাশে বর্জ্য অপসারণ, গাছ রোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘রূপান্তর’ নামের এ কার্যক্রমের আওতায় মহাসড়কের পাশে পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের কাজ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই মাস আগে এ জায়গার অবস্থা যেমন ছিল, এখন তার পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মানুষের জন্য পরিবেশটি এখন আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়াও সহজ হয়েছে।

সড়কের পাশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান বলেন, সরকার জায়গাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। এখন এ অবস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয়দেরও নিতে হবে। সরকারকে সহযোগিতা করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে। এলাকাগুলো সবুজ করে গড়ে তোলা গেলে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন এ চার কিলোমিটারের বাইরের এলাকায় থাকা মিল-কারখানাগুলোর সঙ্গে সামাজিকভাবে আলোচনা করতে হবে। যেসব জায়গায় এখনো ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেগুলো উন্নয়নের পরিকল্পনাও নিতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে পুরো এলাকাকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ কার্যক্রমের আওতায় নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টন বর্জ্য। এ ছাড়া ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি এবং সমপরিমাণ এলাকায় বালু ভরাট করা হয়েছে।

এ প্রকল্পে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি সোলার সিস্টেম, পরীক্ষামূলকভাবে একটি এক কিলোওয়াটের উইন্ড টারবাইন এবং ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ২০টি সারফেস ড্রেন।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

এর আগে সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফেরার পথে তিনি আমিনবাজারের ‘রূপান্তর’ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে যৌথ অভিযান, আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড

‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব’

আপডেট সময় ০৫:০০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি স্থানকে মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য অপসারণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা এর বড় প্রমাণ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকায় মহাসড়কের আরিচামুখী লেনের পাশে বর্জ্য অপসারণ, গাছ রোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘রূপান্তর’ নামের এ কার্যক্রমের আওতায় মহাসড়কের পাশে পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের কাজ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই মাস আগে এ জায়গার অবস্থা যেমন ছিল, এখন তার পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মানুষের জন্য পরিবেশটি এখন আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়াও সহজ হয়েছে।

সড়কের পাশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান বলেন, সরকার জায়গাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। এখন এ অবস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয়দেরও নিতে হবে। সরকারকে সহযোগিতা করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে। এলাকাগুলো সবুজ করে গড়ে তোলা গেলে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন এ চার কিলোমিটারের বাইরের এলাকায় থাকা মিল-কারখানাগুলোর সঙ্গে সামাজিকভাবে আলোচনা করতে হবে। যেসব জায়গায় এখনো ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেগুলো উন্নয়নের পরিকল্পনাও নিতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে পুরো এলাকাকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ কার্যক্রমের আওতায় নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টন বর্জ্য। এ ছাড়া ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি এবং সমপরিমাণ এলাকায় বালু ভরাট করা হয়েছে।

এ প্রকল্পে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি সোলার সিস্টেম, পরীক্ষামূলকভাবে একটি এক কিলোওয়াটের উইন্ড টারবাইন এবং ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ২০টি সারফেস ড্রেন।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

এর আগে সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফেরার পথে তিনি আমিনবাজারের ‘রূপান্তর’ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ