ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি? Logo ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ‘চলুন যোগ দিই’ বলে ট্রাম্পের উপহাস Logo শরী‘আহ পরিপালনে অঙ্গীকার আরও দৃঢ়: স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স ওয়ার্কশপ Logo আত্মরক্ষার্থে লাইসেন্স করা অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলাম: ইশরাক Logo প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু Logo ‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব’ Logo ফ্রান্সে বিক্ষোভ থেকে ভয়াবহ দাঙ্গা, গ্রেফতার ১৮০০ Logo গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ৪৭৫

‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব’

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি স্থানকে মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য অপসারণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা এর বড় প্রমাণ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকায় মহাসড়কের আরিচামুখী লেনের পাশে বর্জ্য অপসারণ, গাছ রোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘রূপান্তর’ নামের এ কার্যক্রমের আওতায় মহাসড়কের পাশে পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের কাজ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই মাস আগে এ জায়গার অবস্থা যেমন ছিল, এখন তার পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মানুষের জন্য পরিবেশটি এখন আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়াও সহজ হয়েছে।

সড়কের পাশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান বলেন, সরকার জায়গাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। এখন এ অবস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয়দেরও নিতে হবে। সরকারকে সহযোগিতা করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে। এলাকাগুলো সবুজ করে গড়ে তোলা গেলে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন এ চার কিলোমিটারের বাইরের এলাকায় থাকা মিল-কারখানাগুলোর সঙ্গে সামাজিকভাবে আলোচনা করতে হবে। যেসব জায়গায় এখনো ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেগুলো উন্নয়নের পরিকল্পনাও নিতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে পুরো এলাকাকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ কার্যক্রমের আওতায় নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টন বর্জ্য। এ ছাড়া ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি এবং সমপরিমাণ এলাকায় বালু ভরাট করা হয়েছে।

এ প্রকল্পে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি সোলার সিস্টেম, পরীক্ষামূলকভাবে একটি এক কিলোওয়াটের উইন্ড টারবাইন এবং ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ২০টি সারফেস ড্রেন।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

এর আগে সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফেরার পথে তিনি আমিনবাজারের ‘রূপান্তর’ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব’

আপডেট সময় ০৫:০০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি স্থানকে মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য অপসারণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা এর বড় প্রমাণ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকায় মহাসড়কের আরিচামুখী লেনের পাশে বর্জ্য অপসারণ, গাছ রোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘রূপান্তর’ নামের এ কার্যক্রমের আওতায় মহাসড়কের পাশে পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের কাজ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই মাস আগে এ জায়গার অবস্থা যেমন ছিল, এখন তার পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মানুষের জন্য পরিবেশটি এখন আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়াও সহজ হয়েছে।

সড়কের পাশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান বলেন, সরকার জায়গাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। এখন এ অবস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয়দেরও নিতে হবে। সরকারকে সহযোগিতা করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে। এলাকাগুলো সবুজ করে গড়ে তোলা গেলে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন এ চার কিলোমিটারের বাইরের এলাকায় থাকা মিল-কারখানাগুলোর সঙ্গে সামাজিকভাবে আলোচনা করতে হবে। যেসব জায়গায় এখনো ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেগুলো উন্নয়নের পরিকল্পনাও নিতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে পুরো এলাকাকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ কার্যক্রমের আওতায় নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টন বর্জ্য। এ ছাড়া ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি এবং সমপরিমাণ এলাকায় বালু ভরাট করা হয়েছে।

এ প্রকল্পে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি সোলার সিস্টেম, পরীক্ষামূলকভাবে একটি এক কিলোওয়াটের উইন্ড টারবাইন এবং ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ২০টি সারফেস ড্রেন।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

এর আগে সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফেরার পথে তিনি আমিনবাজারের ‘রূপান্তর’ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ