ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের দুই বছরে মামলা ৭০, রায় ৭টির: প্রসিকিউটর Logo ‘সামাজিক ট্যাবু ভেঙে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী’ Logo হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকার ও সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমীরের Logo ফ্যাসিবাদের দোসররা ভারত থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে Logo মুক্তির আগেই ১০০ কোটির পথে ‘জেলার ২’ Logo সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে কেন মুখ খুলতে চাননি ঐশ্বরিয়া Logo আর্সেনালের ৭ মিনিটের ঝড়ে ডুবল লিল Logo অ্যাতলেতিকোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের রাতে হারল ইউনাইটেড Logo বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে লক্ষ্য পূরণ করতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo মেসির কীর্তি ভেঙে রোনালদোয় চোখ কেইনের

সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে কেন মুখ খুলতে চাননি ঐশ্বরিয়া

সালমান খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাননি বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ব্যক্তিগত জীবনের সেই অধ্যায় অতীতেই রেখে দিতে চেয়েছিলেন তিনি।

পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের কথা ভেবেই এ বিষয়ে নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১২ সালে ‘রঁদেভু উইথ সিমি গারেওয়াল’ অনুষ্ঠানে একক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

অনুষ্ঠানে সিমি গারেওয়াল ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করেন, সালমান খানের সঙ্গে সম্পর্কের সেই অধ্যায়কে তিনি এখন নিরপেক্ষভাবে ফিরে দেখতে পারেন কি না। জবাবে ঐশ্বরিয়া বলেন, তিনি বিষয়টি নিজের জীবন থেকে সরিয়ে রেখেছেন।

বিশেষ করে কোনো প্রকাশ্য মঞ্চে এ নিয়ে আলোচনা করতে চান না।

সিমি জানতে চান, বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তার মনে নেতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয় কি না। উত্তরে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘আমি আমার ভেতরের দানবদের বিদায় জানিয়েছি। এটি অতীতের বিষয়, সেখানেই একে রেখে দেওয়া উচিত।

কেন তিনি প্রকাশ্যে এ নিয়ে কথা বলতে চান না, সেই প্রশ্নের জবাবে ঐশ্বরিয়া বলেন, তিনি নিজের জীবনকে শুধু ‘আমি, আমার’—এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেন না। তার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনেরা। তাদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে একটি সীমারেখা বজায় রাখেন তিনি।

ঐশ্বরিয়া আরো বলেন, প্রকাশ্যে কথা বললে শুধু তাকেই নয়, আলোচনায় আসতে পারেন অন্যরাও। তাকে কূটনৈতিক, নিজের কথা গোপন রাখা ব্যক্তি কিংবা কথা বলার আগে না ভাবা মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে—এ বিষয়টিও তিনি বিবেচনায় রাখেন।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিনি একজন পরিচিত মুখ হলেও নিজেকে সাধারণ একজন মেয়ে হিসেবেই দেখেন। যাদের নিয়ে কথা বলা হবে, তারাও সাধারণ মানুষ। তাদেরও অনুভূতি আছে, পরিবার আছে, প্রিয়জনদের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে তিনি সতর্ক থাকতে চান।

সালমান-ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ

১৯৯৯ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ ছবিতে কাজ করার সময় সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। তবে ২০০২ সালে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০০৩ সালে ‘চালতে চালতে’ ছবির শুটিংয়ে সালমানের উপস্থিতি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে ছবিটিতে শাহরুখ খানের বিপরীতে ঐশ্বরিয়ার বদলে রানি মুখার্জিকে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের সময় সালমান ও বিবেকের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধের খবরও সামনে আসে।

২০০৭ সালের এপ্রিলে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্য বচ্চন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের দুই বছরে মামলা ৭০, রায় ৭টির: প্রসিকিউটর

সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে কেন মুখ খুলতে চাননি ঐশ্বরিয়া

আপডেট সময় ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সালমান খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাননি বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ব্যক্তিগত জীবনের সেই অধ্যায় অতীতেই রেখে দিতে চেয়েছিলেন তিনি।

পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের কথা ভেবেই এ বিষয়ে নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১২ সালে ‘রঁদেভু উইথ সিমি গারেওয়াল’ অনুষ্ঠানে একক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

অনুষ্ঠানে সিমি গারেওয়াল ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করেন, সালমান খানের সঙ্গে সম্পর্কের সেই অধ্যায়কে তিনি এখন নিরপেক্ষভাবে ফিরে দেখতে পারেন কি না। জবাবে ঐশ্বরিয়া বলেন, তিনি বিষয়টি নিজের জীবন থেকে সরিয়ে রেখেছেন।

বিশেষ করে কোনো প্রকাশ্য মঞ্চে এ নিয়ে আলোচনা করতে চান না।

সিমি জানতে চান, বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তার মনে নেতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয় কি না। উত্তরে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘আমি আমার ভেতরের দানবদের বিদায় জানিয়েছি। এটি অতীতের বিষয়, সেখানেই একে রেখে দেওয়া উচিত।

কেন তিনি প্রকাশ্যে এ নিয়ে কথা বলতে চান না, সেই প্রশ্নের জবাবে ঐশ্বরিয়া বলেন, তিনি নিজের জীবনকে শুধু ‘আমি, আমার’—এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেন না। তার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনেরা। তাদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে একটি সীমারেখা বজায় রাখেন তিনি।

ঐশ্বরিয়া আরো বলেন, প্রকাশ্যে কথা বললে শুধু তাকেই নয়, আলোচনায় আসতে পারেন অন্যরাও। তাকে কূটনৈতিক, নিজের কথা গোপন রাখা ব্যক্তি কিংবা কথা বলার আগে না ভাবা মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে—এ বিষয়টিও তিনি বিবেচনায় রাখেন।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিনি একজন পরিচিত মুখ হলেও নিজেকে সাধারণ একজন মেয়ে হিসেবেই দেখেন। যাদের নিয়ে কথা বলা হবে, তারাও সাধারণ মানুষ। তাদেরও অনুভূতি আছে, পরিবার আছে, প্রিয়জনদের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে তিনি সতর্ক থাকতে চান।

সালমান-ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ

১৯৯৯ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ ছবিতে কাজ করার সময় সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। তবে ২০০২ সালে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০০৩ সালে ‘চালতে চালতে’ ছবির শুটিংয়ে সালমানের উপস্থিতি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে ছবিটিতে শাহরুখ খানের বিপরীতে ঐশ্বরিয়ার বদলে রানি মুখার্জিকে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের সময় সালমান ও বিবেকের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধের খবরও সামনে আসে।

২০০৭ সালের এপ্রিলে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্য বচ্চন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ