রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের ৫ জেলায় হঠাৎ বন্যার শঙ্কা সংসদে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে বিল উত্থাপন, জুয়ার ধারা বিলুপ্ত ফেনীতে পিকআপ-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

রংপুরে বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ৩০০ হেক্টর ফসল নিমজ্জিত

রংপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

গত ৪৮ ঘণ্টায় রংপুরে প্রায় ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বর্ষার আগেই অঝোর ধারা এই বৃষ্টিতে রংপুর নগরীর নিম্নাঞ্চলের অনেক স্থান প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ৩০০ হেক্টরের বেশি জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। 

অপরদিকে, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। এ নিয়ে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  

জানা গেছে, রংপুর নগরীর শ্যামা সুন্দরী খাল খনন না করায় অবিরাম বৃষ্টিতে খাল উপচে পানি আশপাশের অনেক বাড়ি-ঘর ও অলিগলিতে প্রবেশ করেছে। নগরীর উপর দিয়ে প্রবাহিত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই শ্যামা সুন্দরী খালের অনেক স্থান তলিয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। 

সোমবার (১৯ মে) সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার বেলা ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টিতে নগরীর জুম্মাপাড়া, কামারপাড়া, মুন্সপাড়া, হনুমানতলাসহ বেশ কয়েকটি পাড়া-মহল্লায় পানি উঠেছে। বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পানি উঠায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে রয়েছে। 

এদিকে, কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাথমিক হিসেবে রংপুর অঞ্চলে ৩০০ হেক্টরের বেশি জমির ধান, বাদামসহ রবিশস্য নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। কৃষি অফিস বলছে, ফসল নিমজ্জিত হলেও ক্ষতির শঙ্কা কম। খুব দ্রুত পানি নেমে যাবে। 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তফিজার রহমান জানিয়েছেন, রংপুরে গত তিনদিনে ২৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। 

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, অসময়ে তিস্তা ফুলে ফেঁপে উঠছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

একই সময়ে কাউনিয়া পয়েন্টে ২৮ দশমিক ৩৪ সেন্টিমিটার ছিল। সকাল ৯টায় পানির প্রবাহ বেড়ে ২৮ দশমিক ৪২ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যে কোনো সময়ে পানি বাড়তে পারে। 

বাংলা৭১নিউজ/জেসি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com