কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলামের ওপর কর্মস্থলে হামলা, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী প্রকৌশলীসহ সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
আজ (০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) আইইবি’র সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে
কিশোরগঞ্জের গাইটাল শিক্ষকপল্লীস্থ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম সংবদ্ধ হামলার শিকার হন। পূর্বে দাবিকৃত চাঁদার অর্থ না দেওয়ায় কয়েকজন সহকর্মী তাঁর সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক ও গালিগালাজের একপর্যায়ে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেন। হামলায় একটি কাঠের চেয়ারের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাঁকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নিলে ভুক্তভোগী ও অন্যান্য কর্মচারীদের প্রাণনাশসহ মারাত্মক ক্ষতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

আইইবি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করে, দেশে সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উন্নয়ন কাজ প্রকৌশলীদের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে কোনো প্রকৌশলীকে ভয়ভীতি, হামলা বা চাঁদা দাবির মাধ্যমে দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত করা শুধু পেশাগত আচরণবিধি ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী নয়, বরং দেশের প্রচলিত আইনেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। প্রকৌশলীরা কোনো অনৈতিক দাবি বা অবৈধ চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।
এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রকৌশল পেশার মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে আইইবি। একই সাথে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যাতে নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। অন্যথায় সদস্যদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংগঠনটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়।
বাংলা৭১নিউজ/এসএইচবি
























