ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জামানত ছাড়াই তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও অনুদান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক Logo দেশীয় প্রসাধনীর বাজার এক বিলিয়ন ডলারের বেশি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ইউনূস সরকারের সব উপদেষ্টার দুর্নীতির তদন্ত এখন জনতার দাবি Logo মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ট্রাম্প-আমিরাত প্রেসিডেন্টের জরুরি ফোনালাপ Logo সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo সংসদে আরো ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, দায়িত্ব পেলেন যারা Logo সম্পত্তিতে সমঅধিকার না থাকলে নারীর পূর্ণ ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ Logo দুর্যোগ মোকাবেলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হচ্ছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী Logo ১০০ বছরে এই প্রথম জীবিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি, বিতর্ক কেন? Logo রূপগঞ্জে ২৬ মামলার পলাতক আসামি সবুজ গ্রেপ্তার

যুদ্ধের উত্তাপ ছড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে, বেসামরিক হতাহতে উদ্বেগ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে চালানো মার্কিন হামলায় দেশটিতে ১৮ জন নিহত ও ১০৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নিহতদের মধ্যে চারজন বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।

রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলের কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় চারজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় পুরো অঞ্চলেই উদ্বেগ বাড়ছে।

এদিকে ইরান বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরেও দেশটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়। তবে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করেছে।

জুলাইয়ে সংঘাতের আগের দফা শেষ হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা অনেকটাই কমে এসেছিল। ওই সময়ে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধটি ব্যাপক জনপ্রিয় নয়। সংঘাতের প্রভাবে দেশটিতে পেট্রোল ও জ্বালানির দামও বেড়েছে।

নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী যুদ্ধের বিস্তার ঠেকাতে কাজ করছেন। চারজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাত দিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য নির্বাচনী ক্ষতি এড়াতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামরিক অভিযান আরও জোরদারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে ব্যাপক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি ইরান। ইরানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার খবরকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান তার মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক।

দুজারিক বলেন, বেসামরিক মানুষের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা, আনুপাতিকতা এবং সতর্কতার নীতিও অন্তর্ভুক্ত।

স্বাধীন ইরানি মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএনএ) জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানে মোট ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৭০১ জন বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধে দেশটির ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক ই-মেইলে জানিয়েছেন, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন সম্পর্কে তারা অবগত। তবে তার দাবি, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী কখনো বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে একটি ভবনের পাশে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং ভবনের ছাদে বড় একটি গর্ত দেখা গেছে। স্থিরচিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কাছে রেড ক্রিসেন্টের পোশাক পরা কয়েকজনকে দেখা যায়। সেখানে বিদ্যুৎ বা যোগাযোগের একটি টাওয়ারও মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘটনাস্থলের অবস্থান যাচাই করেছে। ওই চিত্র অনুযায়ী, পড়ে থাকা টাওয়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে ১৩৬ মিটার বা ১৪৯ গজ দূরে অবস্থিত।

বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার এই ঘটনা ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথাও সামনে এনেছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন একটি মেয়েদের স্কুলে চালানো ওই হামলায় ১৬০ জন নিহত হন।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা, হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো বিদেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা এবং ইরানিদের সরকার উৎখাতে উৎসাহিত করাকে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।

সূত্র : রয়টার্স।

বাংলা৭১নিউজ/একেএম

Tag :

জামানত ছাড়াই তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও অনুদান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

যুদ্ধের উত্তাপ ছড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে, বেসামরিক হতাহতে উদ্বেগ

আপডেট সময় ১২:০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে চালানো মার্কিন হামলায় দেশটিতে ১৮ জন নিহত ও ১০৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নিহতদের মধ্যে চারজন বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।

রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলের কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় চারজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় পুরো অঞ্চলেই উদ্বেগ বাড়ছে।

এদিকে ইরান বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরেও দেশটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়। তবে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করেছে।

জুলাইয়ে সংঘাতের আগের দফা শেষ হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা অনেকটাই কমে এসেছিল। ওই সময়ে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধটি ব্যাপক জনপ্রিয় নয়। সংঘাতের প্রভাবে দেশটিতে পেট্রোল ও জ্বালানির দামও বেড়েছে।

নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী যুদ্ধের বিস্তার ঠেকাতে কাজ করছেন। চারজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাত দিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য নির্বাচনী ক্ষতি এড়াতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামরিক অভিযান আরও জোরদারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে ব্যাপক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি ইরান। ইরানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার খবরকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান তার মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক।

দুজারিক বলেন, বেসামরিক মানুষের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা, আনুপাতিকতা এবং সতর্কতার নীতিও অন্তর্ভুক্ত।

স্বাধীন ইরানি মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএনএ) জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানে মোট ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৭০১ জন বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধে দেশটির ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক ই-মেইলে জানিয়েছেন, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন সম্পর্কে তারা অবগত। তবে তার দাবি, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী কখনো বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে একটি ভবনের পাশে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং ভবনের ছাদে বড় একটি গর্ত দেখা গেছে। স্থিরচিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কাছে রেড ক্রিসেন্টের পোশাক পরা কয়েকজনকে দেখা যায়। সেখানে বিদ্যুৎ বা যোগাযোগের একটি টাওয়ারও মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘটনাস্থলের অবস্থান যাচাই করেছে। ওই চিত্র অনুযায়ী, পড়ে থাকা টাওয়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে ১৩৬ মিটার বা ১৪৯ গজ দূরে অবস্থিত।

বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার এই ঘটনা ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথাও সামনে এনেছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন একটি মেয়েদের স্কুলে চালানো ওই হামলায় ১৬০ জন নিহত হন।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা, হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো বিদেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা এবং ইরানিদের সরকার উৎখাতে উৎসাহিত করাকে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।

সূত্র : রয়টার্স।

বাংলা৭১নিউজ/একেএম