ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আইনের খসড়া প্রণয়নে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ প্রয়োজন। এরপর তা সংযোজন-বিয়োজন করে বিল আকারে সংসদে আনা হবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি আয়োজিত এআই গভার্ন্যান্স সামারি স্কুল শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায় বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এআইয়ের অপব্যবহার ও উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলায় বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি এবং ছবি বা অন্যান্য মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব।

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। কোনো রায় অপ্রতিকূল হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি বা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) ও লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্নেন্স নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আইনের খসড়া প্রণয়নে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ প্রয়োজন। এরপর তা সংযোজন-বিয়োজন করে বিল আকারে সংসদে আনা হবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি আয়োজিত এআই গভার্ন্যান্স সামারি স্কুল শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায় বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এআইয়ের অপব্যবহার ও উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলায় বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি এবং ছবি বা অন্যান্য মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব।

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। কোনো রায় অপ্রতিকূল হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি বা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) ও লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্নেন্স নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ