বয়সের হিসাবে বলিউড অভিনেতা আমির খান এখন ৬১ বছরের। তবে শরীরের ফিটনেস ও কর্মক্ষমতায় এখনও অনেকটাই তরুণ তিনি। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসেও রয়েছে একটি সহজ উপাদান—ঘি।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে আমির জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই তিনি এক টেবিলচামচ বিশুদ্ধ ঘি খান। তার ভাষায়, ঘি খেতে তার বেশ ভালোই লাগে।
শুধু আমির নন, বলিউডের আরও অনেক তারকার খাদ্যতালিকায় রয়েছে ঘি। করিনা কাপুর খান নিয়মিত খাবারের সঙ্গে ঘি খান। ভূমি পেডনেকর রুটি বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে কাঁচা ঘি খেতে পছন্দ করেন। সোহা আলি খানও সন্তানের খাবারে ঘি রাখেন। আলিয়া ভাট ঘিয়ের সঙ্গে গুড়, গুঁড়ো চিনাবাদাম ও নারকেল মিশিয়ে খান। নীতু কাপুরও খাবারের পর অল্প ঘিয়ের সঙ্গে গুড় খান।
ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি ও ই। এসব উপাদান ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। ঘিতে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্যও উপকারী হতে পারে, যদি তা পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হয়।
এছাড়া ঘি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হয়। তাই ত্বক, শরীর ও সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অনেকেই এখন খাদ্যতালিকায় পরিমিত ঘি রাখছেন।
তবে শুধু ঘি খেলেই বয়সের ছাপ থেমে যাবে বা শরীর সুস্থ থাকবে—এমন নয়। সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে পরিমিত ঘি খাওয়ার অভ্যাসই হতে পারে উপকারী।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস


























