বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারকে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
শেষ বিদায়ের আগে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন সহকর্মী, শিক্ষার্থী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও সর্বস্তরের মানুষ।
পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে শিল্পীর শেষ বিদায়ের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তার মরদেহ প্রথমে নেওয়া হবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রাঙ্গণে। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল হওয়ায় সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সহকর্মীরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।
এরপর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মরদেহ নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করা এই প্রতিষ্ঠানে সহকর্মী এবং বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষককে শেষ বিদায় জানাবেন। চারুকলায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে তাকওয়া মসজিদে গোসল সম্পন্ন করার পর মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ তার ধানমন্ডির বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। বিকেল পর্যন্ত বাসভবনে রাখার পর মরদেহ সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হবে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে।
চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান জানান, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ নিশ্চিত করতেই ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিটিভি ও চারুকলা অনুষদের সঙ্গে মুস্তাফা মনোয়ারের দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি সম্মান জানিয়েই সেখানে তার মরদেহ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস