ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রচারিত নাটকগুলোর মধ্যে দর্শকমহলে বেশ আলোচনায় এসেছে ‘মায়া পাখি’। নাটকটির গল্প, নির্মাণশৈলী ও অভিনয় প্রশংসিত হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর কিছু বিষয় নিয়ে সমালোচনাও দেখা গেছে। বিশেষ করে নেটিজেনদের একটি অংশের অভিযোগ, নাটকে কর্মজীবী নারীদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘মায়া’-এর অভিনেত্রী নাজনীন নীহা। তার মতে, নাটকে যে ঘটনাগুলো দেখানো হয়েছে, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি রয়েছে এবং গল্পের প্রয়োজনেই সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
নীহা বলেন, বাস্তব সমাজে এমন অনেক ঘটনা ঘটে। সেই বাস্তবতাকেই নাটকের গল্পে স্থান দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, নাটকে অবাস্তব বা অপ্রাসঙ্গিক কিছু দেখানো হয়নি; বরং দর্শকদের জন্য এতে একটি শিক্ষণীয় বার্তাও রয়েছে। কারণ, খারাপ কাজের পরিণতি কখনো ভালো হয় না—নাটকটি দেখলে দর্শকরা সেই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারবেন।
নাটকটির ইতিবাচক সাড়ার বিষয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, সহশিল্পী জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিনের সহযোগিতার কারণেই কাজটি আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। নীহার ভাষায়, অভিনয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে তারা তাকে নিয়মিত নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তিনি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এখনও নিজেকে নতুন শিল্পী মনে করেন এবং শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছেন। দর্শকদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাকে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত ‘মায়া পাখি’ নাটকে নাজনীন নীহার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। নাটকটির গল্প ও ভাবনাও অপূর্বর। প্রকাশের পর থেকেই ইউটিউবে নাটকটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএস