
নীলফামারীতে জ্বালানি তেল চুরির অভিযোগে তিন শ্রমিককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়ার প্রতিবাদে রংপুর বিভাগের আট জেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ৯ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করেছে রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় এ অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, প্রশাসন থেকে কারাদণ্ড পাওয়া শ্রমিকদের আগামীকাল সোমবার মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় এ অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এর পর থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর তেল উত্তোলন ও সরবরাহ কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। এর আগে সকাল ৯টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করে শ্রমিকরা। এতে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে তেল সরবরাহ।
শ্রমিকদের এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতিও। ফলে রংপুর বিভাগসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে যমুনা অয়েল কোম্পানির জ্বালানি তেল নিয়ে একটি ট্যাংকলরি নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে চালক ও সহকারীরা গাড়ি থামিয়ে মেরামতের কাজ করছিলেন।
সে সময় নীলফামারী জেলার এনডিসি নিয়াজ ভুঁইয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে তেল চুরির অভিযোগ আনেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ট্যাংকলরির ম্যানেজার একরামুল হক, চালক শ্রীকৃষ্ণ ও সহকারী রিফাতকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এই দণ্ডকে ‘হয়রানিমূলক’ দাবি করে আজ সকাল থেকে কর্মবিরতিতে যান শ্রমিকরা।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস