
নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যার অভিযোগের ঘটনায় মামলার পর ৯ আসামির মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত নূরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে নিহত কিশোরীর মা বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলা করেন। এরপর, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারে জেলা ও জেলার বাইরে অভিযান চলছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৬ জন বখাটে কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাবেক মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সাথে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ প্রয়োগ করা হয়। ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
১৫ দিন পর বখাটে চক্রটি কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা খেতে ফেলে রাখে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক মেস্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, ধর্ষক নূরার চাচাত ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব এবং এবায়দুল্লাহ, হোসেন বাজার এলাকার গাফফার।
অপরদিকে, মূল অভিযুক্ত নূরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস