ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হালাল শিল্পের সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে Logo স্মার্টফোনের দাম ৫০–৬০ ডলারে নামানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার Logo মরদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চুরির মামলা, ‘বড় অঙ্কে’র ক্ষতিপূরণ দেবে হার্ভার্ড Logo চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ Logo ১৪ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় Logo উত্তর সিটির রিকশা ঢুকতে পারবে না দক্ষিণে : ডিএসসিসি প্রশাসক Logo গভীর রাতে পিৎজার দোকানে তিন সেকেন্ডে ৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ Logo ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঝুঁকিতে ১৭ হাজার গর্ভবতী Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা Logo ফরিদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ৩ দিন পর খাদে মিলল কলেজছাত্রের মরদেহ

‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে’

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে ‘খুব কঠিন কিছু’ করার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইসরায়েলের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানে, তাহলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তার ভাষায়, ‘হয় চুক্তি হবে, না হলে কঠোর সিদ্ধান্ত আসবে।’

এই পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি ওমানের সুলতানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ হয়।

গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অনেক বেড়েছে। ভারত মহাসাগরে পাঠানো হয়েছে বিশাল যুদ্ধবহর। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কথাও ভাবছে ওয়াশিংটন।

এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানের জলসীমা থেকে দূরে থাকতে সতর্ক করেছে। এতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামনে তিনটি প্রধান শর্ত দিয়েছে। সেগুলো হলো—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা (পারমাণবিক জ্বালানির জন্য ব্যবহৃত প্রক্রিয়া), আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সীমিত করা।

ইরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি নয়। এর আগেও ট্রাম্প একতরফাভাবে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেছিলেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি উঠেছে। কয়েকটি মানবাধিকার ও শান্তিবাদী সংগঠন কংগ্রেসকে অননুমোদিত যুদ্ধ ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, নতুন যুদ্ধ হলে তা আরও অস্থিরতা ও রক্তপাত ডেকে আনবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

হালাল শিল্পের সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে

‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে’

আপডেট সময় ১১:৩৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে ‘খুব কঠিন কিছু’ করার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইসরায়েলের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানে, তাহলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তার ভাষায়, ‘হয় চুক্তি হবে, না হলে কঠোর সিদ্ধান্ত আসবে।’

এই পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি ওমানের সুলতানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ হয়।

গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অনেক বেড়েছে। ভারত মহাসাগরে পাঠানো হয়েছে বিশাল যুদ্ধবহর। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কথাও ভাবছে ওয়াশিংটন।

এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানের জলসীমা থেকে দূরে থাকতে সতর্ক করেছে। এতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামনে তিনটি প্রধান শর্ত দিয়েছে। সেগুলো হলো—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা (পারমাণবিক জ্বালানির জন্য ব্যবহৃত প্রক্রিয়া), আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সীমিত করা।

ইরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি নয়। এর আগেও ট্রাম্প একতরফাভাবে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেছিলেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি উঠেছে। কয়েকটি মানবাধিকার ও শান্তিবাদী সংগঠন কংগ্রেসকে অননুমোদিত যুদ্ধ ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, নতুন যুদ্ধ হলে তা আরও অস্থিরতা ও রক্তপাত ডেকে আনবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি