ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশিসহ ১৩৫ প্রবাসীকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে জোহরের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের মোট ১৩৫ জন প্রবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে রয়েছেন- ১১২ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ১১ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক, ৯ জন বাংলাদেশের নাগরিক, দুইজন শ্রীলঙ্কার নাগরিক, একজন কম্বোডিয়ার নাগরিক।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও ২) এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব বন্দি টর্চার আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), ডেঞ্জারাস ড্রাগস অ্যাক্ট ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগ সম্পন্ন করার পর প্রত্যাবাসনের আওতায় আনা হয়।

প্রত্যাবাসিত সব বন্দির নাম ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না।

জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দণ্ডভোগ শেষ হওয়া বন্দিরা যেন দেশে অবস্থান না করেন, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

বাংলাদেশিসহ ১৩৫ প্রবাসীকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

আপডেট সময় ১১:০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে জোহরের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের মোট ১৩৫ জন প্রবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে রয়েছেন- ১১২ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ১১ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক, ৯ জন বাংলাদেশের নাগরিক, দুইজন শ্রীলঙ্কার নাগরিক, একজন কম্বোডিয়ার নাগরিক।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও ২) এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব বন্দি টর্চার আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), ডেঞ্জারাস ড্রাগস অ্যাক্ট ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগ সম্পন্ন করার পর প্রত্যাবাসনের আওতায় আনা হয়।

প্রত্যাবাসিত সব বন্দির নাম ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না।

জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দণ্ডভোগ শেষ হওয়া বন্দিরা যেন দেশে অবস্থান না করেন, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো।

বাংলা৭১নিউজ/এবি