শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া এবং চীন সফরের জন্য সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর: ‘লুক ইস্ট’ থেকে ‘সিল্ক রোড’ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’

মাদুরোকে অপহরণে ‘রহস্যময় অস্ত্র’ প্রয়োগ মার্কিন বাহিনীর: রিপোর্ট

বাংলা৭১নিউজ,ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণে পরিচালিত অভিযানে রহস্যময় অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল মার্কিন বাহিনী, যার প্রভাবে মাদুরোর নিরাপত্তায় থাকা সেনাদের কারও নাক থেকে ঝরছিল রক্ত। আবারও কারও হচ্ছিল রক্তবমি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক পোস্টের’ প্রতিবেদনে এমনটিই দাবি করা হয়েছে। মাদুরোর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক সেনাকর্মীর বরাতে এই দাবি করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর মাত্র ২০ জন সেনার কাছে কীভাবে মাদুরোর নিরাপত্তায় থাকা বিশাল বাহিনী কাবু হল, অল্প সংখ্যক সেনার বিরুদ্ধেও কেন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলো না মাদুরো-বাহিনী, সেই প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে ‘রহস্যময় অস্ত্রের’ বিষয়টি জানান ভেনেজুয়েলার ওই সেনাকর্মী।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘সামরিক অভিযান হওয়ার আগে পর্যন্ত কিছু টের পাওয়া যায়নি। কোনও আঁচ পর্যন্ত পায়নি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় থাকা বাহিনী। সব কিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ আমাদের রাডার ব্যবস্থা অকেজো হয়ে যায়। কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কী হচ্ছে।”

ওই সেনাকর্মী জানান, আচমকাই প্রেসিডেন্টের সেফ হাউসের আশপাশে একটি, দু’টি ড্রোন উড়তে দেখা গেল। তখনও বোঝা যায়নি পর মুহূর্তে কী ঘটতে চলেছে। তার কথায়, ‘‘কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেখলাম এক ঝাঁক ড্রোন উড়ে আসছে প্রেসিডেন্টের সেফ হাউসের দিকে। তার পরই ৮-১০টি হেলিকপ্টার দেখা গেল। সেই কপ্টারগুলো থেকে ২০ জনের মতো নেমে এলেন। আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত। তারপরই রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল প্রেসিডেন্টের সেফ হাউস।”

ওই সেনাকর্মীর দাবি, ‘‘প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন ছিল। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ছুটে এল। নিখুঁত নিশানা। ওই সময়ে মনে হচ্ছিল যেন, প্রতি মিনিটে ৩০০ রাউন্ড গুলি ধেয়ে আসছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সেনাকর্মীরা এক এক করে লুটিয়ে পড়েন।”

তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পরই জোরালো একটি আওয়াজ শোনা গেল। এতটাই জোরালো যে, মনে হচ্ছিল মাথা ফেটে যাবে। তার পরই নাক থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। কারও কারও রক্তবমি শুরু হয়। তারপরই এক এক করে মাটিতে পড়ে যেতে থাকেন মাদুরোর নিরাপত্তায় থাকা সেনাকর্মীরা। 

ওই সেনাকর্মীর কথায়, ‘‘পুরো ঘটনাটি এত অল্প সময়ের মধ্যে হয়েছিল যে, কিছুই করতে পারিনি আমরা। ওই ২০ জন মার্কিন সেনার সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি। যে কৌশল, যে অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছিল, তার সঙ্গে পেরে ওঠা সম্ভব হচ্ছিল না।”

গোটা অভিযান মাত্র আধঘণ্টায় শেষ করেছিল মার্কিন বাহিনী। তবে মাদুরোর বিশাল বাহিনীকে কুপোকাত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে ‘রহস্যময় অস্ত্র’ প্রয়োগ করেছিল, সেটি জোর গলায় দাবি করেছেন ওই সেনাকর্মী।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এ সময় স্থল অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায় মার্কিন সেনারা। বর্তেমানে তারা নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্টনিউজ অস্ট্রেলিয়া

বাংলা৭১নিউজ/এসএম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com