ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সচিবালয়ে ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন কর্মচারীরা

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন কর্মচারীরা। এসময় অনেকেই বসে পড়ে স্লোগান দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন ভবনের নিচে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন কর্মচারীরা।

এরপর তারা ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থানের ঘোষণা দেন। কিন্তু তারা আবার ৬ নম্বর ভবনের সামনে যান। সেখান থেকে তারা ৪ নম্বর ভবনের সামনে গিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গিয়ে অবস্থান নেন।

কর্মচারীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘মানি না মানবো না, অবৈধ কালো আইন’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘সারা বাংলার কর্মচারী, এক হও লড়াই কর’ স্লোগান দিচ্ছেন।

এরপর কর্মচারী নেতাদের বক্তব্যের পর শেষ হবে অবস্থান কর্মসূচি।

সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতৃত্বে এ আন্দোলন হচ্ছে। অবস্থান কর্মসূচিতে ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর ও মো. নুরুল ইসলাম, কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে।

এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।

এর আগে গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। তারা এই অধ্যাদেশটিকে নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসেবে অবহিত করছেন।

ঈদের ছুটির পর সোমবার (১৬ জুন) ফের আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। গতকালও তারা সচিবালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

Tag :

সচিবালয়ে ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন কর্মচারীরা

আপডেট সময় ১২:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন কর্মচারীরা। এসময় অনেকেই বসে পড়ে স্লোগান দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন ভবনের নিচে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন কর্মচারীরা।

এরপর তারা ৪ নম্বর ভবনের সামনে অবস্থানের ঘোষণা দেন। কিন্তু তারা আবার ৬ নম্বর ভবনের সামনে যান। সেখান থেকে তারা ৪ নম্বর ভবনের সামনে গিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গিয়ে অবস্থান নেন।

কর্মচারীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘মানি না মানবো না, অবৈধ কালো আইন’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘সারা বাংলার কর্মচারী, এক হও লড়াই কর’ স্লোগান দিচ্ছেন।

এরপর কর্মচারী নেতাদের বক্তব্যের পর শেষ হবে অবস্থান কর্মসূচি।

সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতৃত্বে এ আন্দোলন হচ্ছে। অবস্থান কর্মসূচিতে ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর ও মো. নুরুল ইসলাম, কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে।

এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।

এর আগে গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। তারা এই অধ্যাদেশটিকে নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসেবে অবহিত করছেন।

ঈদের ছুটির পর সোমবার (১৬ জুন) ফের আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। গতকালও তারা সচিবালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ