বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তিনি (তারেক রহমান) আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন। শনিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সারাদেশে সন্ত্রাস, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে— যা গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। ক্ষমতার উল্লাসে
বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ী করার জন্য দেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের। আজ থেকে আমরা
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার এক বার্তায় নাহিদ ইসলামের উদ্দেশ্যে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী
এবারের নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে বিজয়ী হয়েছেন আপন দুই ভাই আব্দুস সালাম পিন্টু ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। দু’জনেই বিএনপি থেকে নির্বাচন করেছেন। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূয়াপুর) আসনে জামায়াত প্রার্থীকে
ফেনীতে স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ভোট দেওয়ার অপরাধে তালাক দেওয়া হয়েছে গৃহবধূ বিবি জহুরাকে। বিষয়টিকে নিয়ে এলাকায় হৈ চৈ চলছে। এমন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় জহুরার সঙ্গে দেখা করতে যান বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। যদিও নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি দলটি। তাই বিজয়ের পর সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে বিএনপি জয়লাভ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিচিত হেভিওয়েট নেতাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন নতুন ও ব্যতিক্রমী প্রার্থী জনমনে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছিলেন। নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথের জনসভা—