জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছে বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। তালিকায় রয়েছেন ২৫ জন। তাদের মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেই ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেলেন তারেক রহমান। তাকে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিয়েছেন নতুন এবং পুরনো মিলিয়ে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার একঝাঁক সদস্য। কিন্তু সেই তালিকায় স্থান পাননি পৌনে এক ডজনেরও বেশি জ্যেষ্ঠ ও পরিচিত মুখ, যারা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন। এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ততম দিন পার করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। মঙ্গলবার এই অভিনন্দন বার্তা পাঠান তিনি। বার্তায় লি কিয়াং লিখেছেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ব্যাপক কৌশলগত
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৪৯ জন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ঘোষিত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে তিনজন টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পেয়েছেন। শপথগ্রহণের
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। আজ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সঞ্চালনায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা শপথ
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকাল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় বিভিন্ন দেশের
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে এখন বিরোধিতার নাটক বন্ধ করুন। বাটোয়ারা করে দেওয়া আর মেনে নেওয়া বাটপাড়রা একদিকে, আর জনগণ অন্যদিকে।