ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা ‘ইরানের মধ্যাঞ্চলের আকাশে মার্কিন বাহিনীর একটি কৌশলগত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত হেনেছে।’ দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার (আইআরএনএ) বরাতে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম
ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে থাকা হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দিতে প্রস্তুত থাকার কথা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউরোপ ও জাপান মিলিয়ে
সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের ‘সৌদি আরামকো’র সামরেফ তেল শোধনাগারে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে।
এবার ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী এসমাইল খাতিবকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বুধবার (১৮ মার্চ) এ দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি তেহরান। যদি এই দাবি
আলি লারিজানির হত্যাকাণ্ডের পর ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা সাঈদ জালিলিকে বিবেচনা করছে তেহরান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সূত্র জানিয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা প্রধান
আলী লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরায়েলে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে বহু হতাহতের পাশাপাশি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশটির সাবেক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা
ভারতের রাজধানী দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিম পালাম এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিন শিশুসহ অন্তত সাত জন প্রাণ হারিয়েছেন। দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এদিন
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদ প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এই ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘চূড়ান্ত ও অনুশোচনাযোগ্য’
ইরানের মিসাইল হামলায় দখলদার ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেলআবিবের রামাত গানে দুজন নিহত হয়েছেন। ইরান থেকে মিসাইল ছোড়ার পর সাইরেন বাজলে তারা নিজ বাড়ির বোমা শেল্টারে ঢুকতে যাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই মিসাইল
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বর্তমানে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তাতে ব্যারেলপ্রতি দাম ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা এখন আর কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার বিষয় নয়, বরং এক রূঢ় বাস্তবতায় রূপ নিচ্ছে। যদিও