ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দীপের বক্তব্যে অসংগতি, দিশাকে জিজ্ঞাসাবাদে মিলবে কি তাহসিফের মৃত্যুর সূত্র? Logo জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল Logo শিক্ষকরা অক্টোবরের বেতন পাবেন কখন, জানাল মাউশি Logo বায়ুদূষণ রোধে ৯ নির্দেশনা, প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ Logo মুক্তিযুদ্ধের পর এবার জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে একটি দল : ধর্মমন্ত্রী Logo আসাদুজ্জামান নূরকে নিয়ে এনসিপির সমালোচনায় ডেভিড বার্গম্যান, কারাবন্দী থাকার প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন Logo যুক্তরাষ্ট্র শর্ত মানলে দুই দিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে প্রস্তুত ইরান Logo বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কাকে টপকে ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে আফগানিস্তান Logo শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

এম আর ট্রেডার্সের গুদাম সিলগালা, ৮১ টন কেমিক্যাল জব্দ

বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় এম আর ট্রেডার্সের গুদাম সিলগালা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

রবিবার (১ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টানবাজারে এম আর ট্রেডার্সের গুদামে অভিযান চালান গোয়েন্দারা।

এ সময় সেখানে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ প্রায় ৮১ দশমিক ৬ টন কেমিক্যাল ও অন্যান্য কাঁচামাল মজুদ পাওয়া যায়। তবে এসব পণ্যের ক্রয়, আমদানি কিংবা বৈধভাবে মজুদের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। পরে গুদামটি সিলগালা করা হয়।

একই দিন সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডেও অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা।

প্রতিষ্ঠানটি গত ১৭ অক্টোবর বিল অব এন্ট্রি নম্বর সি-১২৯৩৪৮২-এর মাধ্যমে ভারত থেকে বন্ড সুবিধায় ৪৫ টন সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট আমদানি করে। কিন্তু অভিযানের সময় আমদানি করা এসব কেমিক্যালের মজুদ বা অবস্থান দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত আমদানি করা কাঁচামাল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনকাজে ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু সিম ফেব্রিক্সের আমদানি করা কেমিক্যালের হদিস না পাওয়া এবং এম আর ট্রেডার্সের গুদামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যালের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে।

তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কেমিক্যাল উৎপাদনে ব্যবহার না করে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে কি না সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সিম ফেব্রিক্সের আমদানি করা কেমিক্যালের সঙ্গে এম আর ট্রেডার্সের গুদামে পাওয়া পণ্যের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

এছাড়া গুদামে পাওয়া কেমিক্যালের উৎস, আমদানি ও ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য এবং বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের বিষয়টি যাচাই করছেন গোয়েন্দারা। এতে সরকারের কী পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজও চলছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, শুল্কমুক্ত কাঁচামালের অবৈধ বাজারজাতকরণ ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দীপের বক্তব্যে অসংগতি, দিশাকে জিজ্ঞাসাবাদে মিলবে কি তাহসিফের মৃত্যুর সূত্র?

এম আর ট্রেডার্সের গুদাম সিলগালা, ৮১ টন কেমিক্যাল জব্দ

আপডেট সময় ১০:১৮:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় এম আর ট্রেডার্সের গুদাম সিলগালা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

রবিবার (১ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টানবাজারে এম আর ট্রেডার্সের গুদামে অভিযান চালান গোয়েন্দারা।

এ সময় সেখানে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ প্রায় ৮১ দশমিক ৬ টন কেমিক্যাল ও অন্যান্য কাঁচামাল মজুদ পাওয়া যায়। তবে এসব পণ্যের ক্রয়, আমদানি কিংবা বৈধভাবে মজুদের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। পরে গুদামটি সিলগালা করা হয়।

একই দিন সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডেও অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা।

প্রতিষ্ঠানটি গত ১৭ অক্টোবর বিল অব এন্ট্রি নম্বর সি-১২৯৩৪৮২-এর মাধ্যমে ভারত থেকে বন্ড সুবিধায় ৪৫ টন সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট আমদানি করে। কিন্তু অভিযানের সময় আমদানি করা এসব কেমিক্যালের মজুদ বা অবস্থান দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত আমদানি করা কাঁচামাল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনকাজে ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু সিম ফেব্রিক্সের আমদানি করা কেমিক্যালের হদিস না পাওয়া এবং এম আর ট্রেডার্সের গুদামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যালের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে।

তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কেমিক্যাল উৎপাদনে ব্যবহার না করে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে কি না সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সিম ফেব্রিক্সের আমদানি করা কেমিক্যালের সঙ্গে এম আর ট্রেডার্সের গুদামে পাওয়া পণ্যের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

এছাড়া গুদামে পাওয়া কেমিক্যালের উৎস, আমদানি ও ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য এবং বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের বিষয়টি যাচাই করছেন গোয়েন্দারা। এতে সরকারের কী পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজও চলছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, শুল্কমুক্ত কাঁচামালের অবৈধ বাজারজাতকরণ ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ